Published on
:
2 min read
সদ্য IPL-এ দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচিং টিমে যোগ দিয়েছেন অমিত মিশ্র। কেরিয়ারে এই নতুন শুরুর জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তিনি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, যুবরাজ সিংদের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি কতটা সাফল্য পান সেইদিকে তাকিয়ে সকলে। অমিত মিশ্র ভারতের অন্যতম সেরা বোলার হলেও তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়াররা কেকওয়াক ছিল না। ভারতের জার্সিতে ৬৮টি ওয়ানডে, ২২টি টেস্ট এবং ৮টি টি-টোয়েন্টি খেললেও চোটের পর আর ফেরা হয়নি তাঁর। এ বার দেশের জার্সিতে বাদ পড়া নিয়ে বিরাট কোহলি ও অনিল কুম্বলেকে কাঠগড়ায় তুললেন।
চোটের কারণে ২০১৭ সালে ছিটকে যাওয়ার পর আর কখনোই জাতীয় দলের দরজা খোলেনি তাঁর জন্য। অথচ তৎকালীন টিম ম্যানেজমেন্টের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তাঁকে দলে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার আকাশ চোপড়ার পডকাস্টে সেই অধ্যায় নিয়ে এবার মুখ খুললেন ৪১ বছর বয়সি তারকা।
চোট পাওয়ার পরে সব শেষ
ঘটনার সূত্রপাত ২০১৭ সালের গোড়ায়। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ়ের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচেতে বল করার সময় চোট পান অমিত মিশ্র। মাঠ ছাড়ার সেই ঘটনা নিয়ে অমিত মিশ্র বলেন, ‘বেঙ্গালুরুতে চোট পাওয়ার পর যখন আমি মাঠ থেকে বের হচ্ছিলাম, তখন দলের হেড কোচ ছিলেন অনিল কুম্বলে। আমি গিয়ে ওঁর কাছে নিজের উদ্বেগের কথা জানাই। অনিল ভাই সোজা আমাকে বলেন, একদম চিন্তা করো না। সুস্থ হয়ে ওঠাটাই মূল কথা। চোট সারিয়ে ফিট হলেই তুমি স্বাভাবিক নিয়মেই দলে ফিরে আসবে।’
এর কিছুদিন পরই ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষমতার রাশ পুরোপুরি চলে যায় বিরাট কোহলির হাতে। অধিনায়কের সঙ্গে নিজের যোগাযোগ নিয়ে মিশ্র জানান, ‘বিরাট যখন অধিনায়ক হলো, আমি ওর কাছেও জানতে চেয়েছিলাম যে আমাকে কী করতে হবে? বিরাটও আমাকে আশ্বস্ত করে বলেছিল, ভাই, তুমি কোনো চিন্তা কোরো না। পুরোপুরি ফিট ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলেই তুমি দলে ফিরবে।’
ফিট হলেও মেলেনি উত্তর
কিন্তু ফিট হওয়ার পর ছবিটা বদলে যায়। ফিটনেস পরীক্ষা পাশ করার পর অমিত মিশ্র বিরাটের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনও উত্তর পাননি। মিশ্রর ক্ষোভ, ‘ফিট হওয়ার পর আমি কোহলিকে মেসেজ করে জানতে চাই, ভাই, এখন পরিস্থিতি কী? তখন ও আমাকে বলেছিল, আমাকে এক সপ্তাহ থেকে দশ দিন সময় দাও, আমি তোমায় জানাচ্ছি। কিন্তু কোনও খবর দেয়নি। এরপর আমি সরাসরি ফোন করি, কিন্তু ও ফোন তোলেনি। আমি আবার মেসেজ পাঠাই, কিন্তু কোনও রিপ্লাই আসেনি।’
এক্ষেত্রে তিনি স্বজনপোষণের অভিযোগ তোলেন। জানান, তাঁর থেকে অনেক বেশি চোট পেয়েও অনেকে ফিরেছেন। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকার পরেও জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন যা অমিত মিশ্রর ক্ষেত্রে হয়নি। তাঁকে বাদ দেওয়ার পক্ষে কোনও স্পষ্ট কারণও টিম ইন্ডিয়া বা BCCI তাঁকে জানায়নি বলে দাবি তাঁর।
