কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে নিখোঁজের পাঁচ মাস পর আরিফ মিয়া ওরফে সালমানের হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নরসুন্ধা নদী থেকে মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের ৭৭টি হাড় উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ মে সন্ধ্যায় ইলিম বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ১৯ বছর বয়সী আরিফ। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ পাঁচ মাস ছেলের সন্ধান না পেয়ে গত ১৬ অক্টোবর হোসেনপুর থানায় মামলা করেন তার বাবা।
মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাকিব, মাফি, রফিক ও রমজান মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নরসুন্ধা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কচুরিপানার নিচ থেকে আরিফের দেহাবশেষ ও তার ব্যবহৃত একটি গেঞ্জি উদ্ধার করা হয়। গেঞ্জি দেখে ছেলেকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেন তার বাবা।
উদ্ধার করা হাড় ও দেহাবশেষের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার চারজনের বাইরে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
