শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে যশোর ও নড়াইলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে এসআরবি-৬ যশোরের সদস্যরা । পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সাইবার মনিটরিং এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতা, বিশৃঙ্খলা কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টায় যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন মন্দির পরিদর্শনকালে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান এসআরবি-৬-এর কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক।
তিনি জানান, এসআরবি-৬-এর দায়িত্বাধীন এলাকায় মোট ১ হাজার ২৭৮টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। এসব মণ্ডপে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে গত ১৩ অক্টোবর থেকে বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক বলেন, পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি আগেই শনাক্ত ও প্রতিরোধ করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সক্রিয় রয়েছে সাইবার মনিটরিং সেল।
তিনি আরও জানান, শহরের প্রবেশমুখ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। সন্দেহজনক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এসআরবি-৬-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। সাধারণ মানুষ যাতে ভয়ভীতি ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে পূজার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ মহারাজ এবং পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
