বিশ্বজুড়ে একাধিক সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি তেলের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়ায় রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তার মতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, সৌদি আরবে হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব একসঙ্গে বিশ্ববাজারে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ ও অন্যান্য দেশের স্বার্থও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে তার বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
রুবিও বলেন, রাশিয়ার ওপর ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতগুলো পরস্পরের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ফলে জ্বালানি তেলের দামও বাড়ছে।
তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর কীভাবে পড়ছে, সেটিও বিবেচনা করতে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।
রুবিওর ভাষ্য, ভারত স্বেচ্ছায় জ্বালানির উৎস বহুমুখী করার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে দেশটি এখনো রাশিয়া থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করে। এক দিন থেকে আরেক দিনে জ্বালানি সরবরাহের উৎস পুরোপুরি বদলে ফেলা কঠিন।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পেছনে তিনটি সংঘাতের কথা উল্লেখ করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এগুলো হলো ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ, সৌদি আরবে হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান।
রুবিও বলেন, এসব পরিস্থিতির সম্মিলিত প্রভাব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার মতে, রাশিয়া যেকোনোভাবেই তাদের ডিজেল বিক্রি করবে। এখানে মূল পার্থক্য হলো, সেই বিক্রি থেকে যুক্তরাষ্ট্র কতটা সুবিধা পাবে।
