বর্ধমান আদালতে তোলা হচ্ছে অ্যানাস্থেটিস্ট বনজকুমার দে-কেনিজস্ব চিত্র
Published on
:
1 min read
অ্যানাস্থেটিস্ট বনজকুমার দে-কে রাতেই বোলপুরের রিসর্ট থেকে পাকড়াও করেছিল পুলিশ। মঙ্গলবার তাঁকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। আগামী ১৬ অক্টোবর ফের তাঁকে আদালতে তোলা হবে।
ফাইমোসিস অস্ত্রোপচারের পরে চার বছরের অরণ্য রায়ের মৃত্যু হয়েছিল বর্ধমানের ওই নার্সিংহোমে। ২ সেপ্টেম্বর হওয়া সেই অপারেশনের অ্যানাস্থেটিস্টের দায়িত্বে ছিলেন বনজ। অপারেশন করেছিলেন চিকিৎসক শেখ সায়দুল হক। শিশুর মৃত্যুর পরে তদন্ত শুরু হতেই গা ঢাকা দেন বনজ।
ঘটনার পর থেকে বনজের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। কিন্তু তিনি যেন কার্যত উবে গিয়েছিলেন। ধরা পড়ার ভয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত গাড়ি ট্র্যাক করেই তাঁর হদিশ পায় পুলিশ। সোমবার রাতে বোলপুরের একটি রিসর্ট থেকে পাকড়াও করা হয় বনজকে।
রাতেই তাঁকে বর্ধমান থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তোলা হয় আদালতে। বনজকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করেছিলেন তদন্তকারীরা। তবে বিচারক তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এখন তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্তকারীরা।
শিশুমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক সায়দুলকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তিনি ভুয়ো চিকিৎসক। বিহার থেকে ডাক্তারির ভুয়ো শংসাপত্র জোগাড় করেছিলেন। অভিযোগ, পরে প্রভাবশালীদের ধরে ভুয়ো রেজিস্ট্রেশন নম্বর আদায় করে চিকিৎসার নামে ব্যবসা ফেঁদে বসেন। দাঁড়ি-গোঁফ কেটে দুবাই পালানোর ছক কষছিলেন তিনি। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
