মহানবমী পূজা শেষ হওয়ার পরেই মন্দির ও মন্ডপে-মন্ডপে দুর্গা দেবীর বিদায়ের সুর বেজে উঠেছে।
Published : 20 Oct 2026, 12:10 PM
Updated : 20 Oct 2026, 12:10 PM
নৈবদ্ধ, ভোগ, আরতি, অঞ্জলি প্রদান এবং যজ্ঞসহ নানা আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেরপুরে মহানবমী পূজা সম্পন্ন করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
মঙ্গলবার সকালে জেলার দুর্গাপূজার মণ্ডপ এবং মন্দিরগুলোতে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শেরপুর শহরের প্রাচীনতম দুটি পূজা মন্ডপ যথাক্রমে রঘুনাথ বাজার কালী মন্দিরের মুক্তি সংঘ এবং শহরের চকবাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সমবায় সংঘের পূজা মন্ডপ সরেজমিনে গিয়ে দুর্গা ভক্তদের ভিড় দেখা যায়।
পূজামন্ডপে ভক্তরা পুরোহিতের সঙ্গে মন্ত্র পাঠ করে বেলপাতা ফুল, দূর্বা বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে দুর্গা দেবীর চরণে অঞ্জলি প্রদান করেন।
পুরোহিত বিপ্রপ চক্রবর্তী রতন ও বাবু চক্রবর্তী বলেন, ফল ফলাদি, ভোগ, আরতী, নৈবদ্য, পুষ্পাঞ্জলি এবং প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে মহা নবমী পূজা সম্পন্ন করা হয়েছে।
রঘুনাথ বাজার কালী মন্দিরে দেবীকে ভক্তি প্রদান শেষে স্থানীয় বাসিন্দা দুর্গা মালা বলেন, “আমরা মার কাছে চাইলাম আমরা যেন সবাই সুস্থ থাকি এবং ভালো থাকি। আমাদের দেশ যেন শান্তিতে থাকে। আমরা যেন শান্তি পাই, মা যেন আমাদের এই আশীর্বাদ করে যান। ”
এদিকে মহানবমী পূজা শেষ হওয়ার পরেই মন্দির ও মন্ডপে-মন্ডপে দুর্গা দেবীর বিদায়ের সুর বেজে উঠেছে।
স্থানীয় মমতা পাল বলেন, “দুর্গতি নাশিনী মা প্রতি বছরই আমাদের মাঝে আসেন। আগামীকাল চলে যাবেন। আগামী বছর আমরা কে থাকবো কে থাকবো না এটা ভেবে মনটা একটু খারাপ।”
একই কথা বললেন, রানী সাহা, মানস কর, প্রকাশ সাহা।
তারা বলেন, তবুও দেবী সর্বদাই সব ধরনের বিপদ আপদ থেকে মুক্ত রেখে সবার কল্যাণ করবেন এটাই কামনা করছেন তারা।
শহরের চকবাজার সমবায় সংঘের আয়োজকদের একজন মিঠুন কর বলেন, “আমাদের চকবাজার সমবায় সংঘ শেরপুর জেলার মধ্যে অন্যতম প্রাচীন ক্লাব। ৮৯ বছর ধরে চকবাজারের এখানেই পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।”
