রায়পুর ভূমি অফিসের আত্মসাত করা ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন অভিযুক্ত প্রধান সহকারী কাম-হিসাবরক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও সার্টিফিকেট পেশকার নকিব হোসেন শান্ত।
সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরের হিসাব তত্ত্বাবধায়কের অডিটে তাদের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়ে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। দপ্তরগুলোতে আদান-প্রদান করা চিঠির অনুলিপি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এর আগে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের চান্দিনা ভিটির একসনা লিজমানি বাবদ ১ লাখ ৯ হাজার টাকা ও ভিপি লিজমানির নথি বাবদ প্রায় ১০ লাখ ৯৯ হাজার টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন তারা।
রবর্তীতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসককে টাকা উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার গিয়েও জাহাঙ্গীর আলমকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।
সার্টিফিকেট পেশকার নকিব হোসেন শান্ত বলেন, জাহাঙ্গীর আলমকে বিশ্বাস করে প্রতি মাসের টাকা জমা হয়েছে মর্মে উপজেলা ও জেলা কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলাম। আমি কোনো টাকা আত্মসাৎ করিনি।
রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, টাকা ইতোমধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।