মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উঠেপরে লেগেছে ককরোচ পার্টি (সিজেপি)। দিল্লির পাশাপাশি দেশের একাধিক প্রান্তে ছাড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। গত ১১ অক্টোবর গোয়ার পানাজিতে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন বহু মানুষ। সেখানে যোগ দেওয়া ৩০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল গোয়া পুলিশ।
পানাজি থানার আধিকারিক বিজয়কুমার চডঙ্কর বলেন, “পানাজিতে ওই সমাবেশে সিজেপির কর্মী সমর্থকরা ধর্মীয় উসকানি মূলক স্লোগান দিচ্ছিলেন। ‘হিন্দুত্ব নিপাত যাক’-সহ একাধিক হিন্দু ধর্ম বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। এর জেরে ধর্মীয় সম্প্রতি নষ্ট হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। যার জেরে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়।” জানা যাচ্ছে, পুলিশের তরফে ভারতীয় দণ্ডবিধি ২০২৩-এর ১৯৬ এবং ২৯৯ ধারা অর্থাৎ ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।
পানাজি থানার আধিকারিক বিজয়কুমার চডঙ্কর বলেন, “পানাজিতে ওই সমাবেশে সিজেপির কর্মী সমর্থকরা ধর্মীয় উসকানি মূলক স্লোগান দিচ্ছিলেন।
গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত বলেন, “গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার কোনও রকম প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।” জানা গিয়েছে, ১১ অক্টোবরের ওই বিক্ষোভে হিন্দু ধর্ম বিরোধী স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপরই গোয়ার তালেগাঁওয়ের বাসিন্দা রামপ্রসাদ কেলকার থানায় এফআইআর দায়ের করেন। তিনি বলেন, “আমি ভিডিওটি দেখেছি। বিক্ষোভে যোগ দেওয়া ভিড় সেখানে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল। যার জেরেই এই এফআইআর দায়ের করা হয়।”
উল্লেখ্য, এসআইআর-এ কারচুপি হয় একাধিক অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে সিজেপি। গ্রেপ্তারির পর পুলিশ হেফাজতে সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। এবার দেশের অন্য প্রান্তে আন্দোলনে না সিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে তৎপর হল প্রশাসন।
