১১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি। তবে আলাউদ্দিন মনার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সেই চাপ কাটিয়ে সহজ জয় তুলে নেয় দলটি। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশকে (এআইইউবি) পাচ উইকেটে হারিয়ে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করেছে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১৭ রান সংগ্রহ করে এআইইউবি। জবাবে ৪২ বল হাতে রেখেই পাচ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায় সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি।
তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা আলাউদ্দিন মনা ৪৪ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর দায়িত্বশীল ইনিংসেই জয়ের পথ সহজ হয় সোনারগাঁওয়ের। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে এআইইউবি। ৩১ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। পরে আজমীরের ৪৫ রান এবং লিওনের অপরাজিত ৩১ রানের সুবাদে ১১৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির হয়ে আসিফ ৩টি এবং জীবন ২টি উইকেট নেন।
এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬। রোববার বিকেলে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক দুই তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ রফিক ও মোহাম্মদ আশরাফুল উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি বুলবুল আহমেদ, বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী, এবিজি স্পোর্টস সিটির উপদেষ্টা বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, মো. লিয়াকত হোসেন, মো. নাজমুল আলম ভূঁইয়া, মাহবুবুর রহমান এবং টি স্পোর্টসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভির উল ইসলাম। এ ছাড়া এবিজি স্পোর্টস সিটির সিনিয়র জিএম লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সোয়েব শফিক (অব.), বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বসুন্ধরা গ্রুপ ও এবিজি স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এবিজি স্পোর্টস সিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্রিকেট প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি, প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়াচর্চায় উৎসাহ দেওয়া এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই প্রতিযোগিতা তরুণদের খেলাধুলায় আগ্রহী করার পাশাপাশি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ প্রতিভা অন্বেষণেও ভূমিকা রাখবে।
