খাগড়াছড়িতে প্রায় ৪শ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন পাঁচটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ তলাবিশিষ্ট তিনটি একাডেমিক ভবন এবং ছয় তলাবিশিষ্ট দুটি ছাত্র ও ছাত্রী নিবাস। ভবনগুলো চালু হলে পার্বত্য অঞ্চলের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি দেশের চারটি বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে একটি। চট্টগ্রাম বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি খাগড়াছড়িতে নির্মিত হচ্ছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ঠাকুরছড়া এলাকায় এসব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
এ সময় ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাস চালু হলে পাহাড়ি জনপদে শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও প্রকৌশল শিক্ষায় আরও বেশি সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কাজ করছে। খাগড়াছড়ি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিনটি একাডেমিক ভবন ও দুটি ছাত্রাবাসসহ মোট পাঁচটি ভবন নির্মাণ প্রকল্পে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের মেয়াদকাল ২০২৮সাল পর্যন্ত।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের প্রকৌশল শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্ত।
এ সময় ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি আরো বলেন, খাগড়াছড়িতে একটি বিমান বন্দর নির্মাণ নিয়ে ইতিমধ্যে মহান জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছি। এ নিয়ে আলোচনা চলছে। বিমান বন্দর স্থাপিত হলে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বাসিন্দারা সহজে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবে। হাজার হাজার পর্যটক আসবে। বিমান বন্দরকে ঘিরে হাজারো বেকার পাহাড়ি-বাঙালির কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। খাগড়াছড়ির অর্থনীতির চাকা ঘুরে যাবে।
