চট্টগ্রাম জেলা সমবায় কর্মকর্তার কার্যালয়
পূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির আগে আজ ছিল শেষ কর্মদিবস। বিকাল পাঁচটার মধ্যে অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চলে গেলেও উপ-সহকারী নিবন্ধক ওমর ফারুক চৌধুরী থেকে যান। পরে দুই কম্পিউটার অপারেটরকে ডেকে এনে সন্ধ্যার পরও চিঠি প্রস্তুতের কাজ চালানো হয়।
- সমবায়ের জমি বিক্রির অনাপত্তিপত্র প্রস্তুতের অভিযোগ
- অফিসে দুই কম্পিউটার অপারেটরকে ডেকে কাজ
- উপ-সহকারী নিবন্ধক ওমর ফারুকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
চট্টগ্রাম জেলা সমবায় কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাতে অর্ধশতাধিক চিঠি ইস্যুর অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সমবায় সমিতির জমি বিক্রির অনাপত্তিপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চিঠি প্রস্তুত করতে অফিস সময়ের পরও সেখানে কাজ চলেছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।
অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন কার্যালয়ের উপ-সহকারী নিবন্ধক গাজী মো. ওমর ফারুক চৌধুরী। তাঁর বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে জমি বিক্রিসংক্রান্ত অনাপত্তিপত্র ও অন্যান্য দাপ্তরিক পত্র প্রস্তুতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক রাতেই কোটি টাকার বাণিজ্যের সুযোগ তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকাল পাঁচটার মধ্যে অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যালয় ত্যাগ করলেও সেখানে থেকে যান ওমর ফারুক চৌধুরী।
পরে তিনি আরও দুই কম্পিউটার অপারেটরকে ডেকে নেন। সন্ধ্যা সাতটার পর থেকে বিভিন্ন সমবায় সমিতির জমি বিক্রির অনাপত্তিপত্রসহ নানা ধরনের চিঠি প্রস্তুতের কাজ শুরু হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। রাত আটটার সময়ও কার্যালয়ে এসব চিঠি প্রস্তুতের কাজ চলছিল বলে দাবি সূত্রগুলোর।
ছুটির আগের সন্ধ্যায় কেন দাপ্তরিক তৎপরতা?
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির আগে আজ ছিল শেষ কর্মদিবস। বিকাল পাঁচটার মধ্যে অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চলে গেলেও উপ-সহকারী নিবন্ধক ওমর ফারুক চৌধুরী থেকে যান। পরে দুই কম্পিউটার অপারেটরকে ডেকে এনে সন্ধ্যার পরও চিঠি প্রস্তুতের কাজ চালানো হয়।
যদিও বিষয়টি উপ-সহকারী নিবন্ধক গাজী মো. ওমর ফারুক চৌধুরী অস্বীকার করেন। এই বিষয়ে জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করারও পরও ফোন ধরেননি জেলা সমবায় অফিসার সিফাত উল্লাহ তাসনিম।
