তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানা সাত মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকা। তবে কামদো ও নিংচি শহরসহ আশেপাশের বিশাল এলাকা জুড়ে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে সাত মাত্রার এই শক্তিশালী ভূকম্পনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং তিন শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পরপরই তিব্বতের দুর্গম পার্বত্য পথগুলোতে ব্যাপক ভূমিধস নামায় প্রধান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় পৌঁছাতে এবং উদ্ধার তৎপরতা চালাতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলগুলোকে।
উদ্বেগের বিষয় হলো, দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।
এছাড়া ২০২৩ সালেও চীনের পার্বত্য প্রদেশ গানসুতে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। চরম প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম ভৌগোলিক পরিস্থিতির মধ্যেই উপদ্রুত এলাকায় তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হচ্ছে।
সূত্র : বিবিসি।
