মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Published on
:
1 min read
প্রতি সপ্তাহে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষদের বাড়িতে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেবে রাজ্য সরকার। পৌঁছে দেওয়া হবে চাল, ডাল, তেল, সয়াবিন। শুক্রবার ঝাড়গ্রাম থেকে এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তে ঝাড়গ্রামের ২৫ হাজার এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ৪৫ হাজার পরিবার উপকৃত হবে।
ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়ায় লোধা শবর অধ্যুষিত কালাঝরিয়ায় সরকারি কর্মসূচিতে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই জনজাতি গোষ্ঠীর মানুষদের বাড়িতে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেশন প্রকল্পের বাইরে এটি একটি অতিরিক্ত প্রকল্প। পুষ্টিকর খাদ্য থেকে যাতে কেউ বঞ্চিত না হন, তা নজরে রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাজেটেই এই প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছিল।
এ ছাড়াও আরও একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তফসিলি জনজাতির বার্ধক্য ভাতা বাড়িতে দেড় হাজার টাকা করা হয়েছে। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ২ লক্ষ পড়ুয়াকে ৮০০ টাকা ভাতা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
শুভেন্দু জানান, ঝাড়গ্রামে উন্নয়নে তাঁর সরকার ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। সেই সূত্রে বিগত সরকারকেও বিঁধেছেন শুভেন্দু। বলেন, ‘বিগত সরকার কেন্দ্রের বহু কর্মসূচিতে যুক্ত হয়নি। আগের মুখ্যমন্ত্রী গোটা পশ্চিমাঞ্চলে ৬ কোটি টাকার কাজ করেছে। এই সরকার পশ্চিমাঞ্চলকে বঞ্চিত করবে না। পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বও আমার হাতেই। আদিবাদী মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা চালু হতে চলেছে। আপনাদের ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি দিচ্ছি। জবকার্ড নিতে চাইলে নতুন করে পাবেন।’
