
প্রতীকী ছবি।ছবি সৌজন্য়ে: AI
Published on
:
2 min read
পেনশন চালু রাখতে প্রতি বছর লাইফ সার্টিফিকেট বা জীবন শংসাপত্র জমা দিতে হয়। প্রবীণদের ব্যাঙ্ক বা পেনশন অফিসে গিয়ে এই কাজ করার ঝক্কি কমাতে কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে জীবন প্রমাণ (Jeevan Pramaan) পরিষেবা। আধার-ভিত্তিক মুখের ছবি যাচাইয়ের মাধ্যমে স্মার্টফোন থেকেই ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট (DLC) তৈরি করা যায়। সফল ভাবে শংসাপত্র তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট পেনশন প্রদানকারী সংস্থা অনলাইনে তা দেখতে পারে।
কবে জমা দিতে হবে?
২০২৬ সালে ৮০ বছর বা তার বেশি বয়সি পেনশনভোগীরা ১ অক্টোবর থেকে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে পারবেন। ৮০ বছরের কম বয়সিদের জন্য জমা দেওয়ার সময়সীমা ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সার্টিফিকেট জমা ও গ্রহণ হয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। না হলে পেনশন পেতে দেরি হতে পারে।
১. অ্যাপ ডাউনলোড: স্মার্টফোনে UMANG অ্যাপ অথবা সরকারি জীবন প্রমাণ পরিষেবার নির্দেশিকা অনুযায়ী Jeevan Pramaan অ্যাপ ইনস্টল করুন। মুখের ছবি যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন হলে AadhaarFaceRD অ্যাপও ইনস্টল করতে হবে।
২. পরিষেবা বেছে নিন: UMANG অ্যাপে Jeevan Pramaan লিখে খুঁজুন। এরপর ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট তৈরির পরিষেবা নির্বাচন করুন।
৩. তথ্য দিন: আধার নম্বর, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার (PPO) নম্বর, পেনশন অ্যাকাউন্টের তথ্য, মোবাইল নম্বর এবং পেনশন অনুমোদনকারী ও প্রদানকারী সংস্থার প্রয়োজনীয় বিবরণ দিন।
৪. মুখের ছবি যাচাই: স্ক্রিনে দেওয়া নির্দেশ মেনে ফোনের সামনের ক্যামেরায় মুখের ছবি তুলে পরিচয় যাচাই সম্পূর্ণ করুন।
৫. সার্টিফিকেট তৈরি: দেওয়া তথ্য যাচাই করে জমা দিন। প্রক্রিয়া সফল হলে একটি নির্দিষ্ট প্রমাণ আইডি (Pramaan ID) তৈরি হবে। ভবিষ্যতে সার্টিফিকেট দেখা বা ডাউনলোড করার জন্য এটি সংরক্ষণ করুন।
সার্টিফিকেট জমা হয়েছে কি না বুঝবেন কী ভাবে?
সরকারি ওয়েবসাইট jeevanpramaan.gov.in থেকে প্রমাণ আইডি ব্যবহার করে সার্টিফিকেট দেখা বা ডাউনলোড করা যায়। তবে সার্টিফিকেট তৈরি হওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট সংস্থা সেটি গ্রহণ করেছে, এমন নয়। গ্রহণের অবস্থা স্পষ্ট না হলে বা সার্টিফিকেট বাতিল হলে ব্যাঙ্ক কিংবা পেনশন প্রদানকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
স্মার্টফোন ব্যবহার করতে না পারলে কী করবেন?
পেনশনভোগীরা অনুমোদিত জীবন প্রমাণ কেন্দ্র, ব্যাঙ্ক শাখা বা পরিষেবা উপলব্ধ থাকলে বাড়িতে ডাককর্মীর সাহায্যেও ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেন। বিকল্প হিসেবে অনুমোদিত কেন্দ্রে আঙুলের ছাপ বা চোখের মণি যাচাইয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে। অনলাইনে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়; সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুমোদিত অন্য পদ্ধতিও ব্যবহার করা যায়।
