আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের আঠারগাছিয়া গ্রামে শনিবার গভীর রাতে ফসলি জমিতে লবণ ও ওষুধ প্রয়োগ করে প্রায়
৫ লাখ টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।জমির মালিক মৃত তাজেম আলী হাওলাদারের পুত্র যুবরাজ হাওলাদার গং বলেন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামুন
পেয়াদা (৪৫)এর সাথে বিরোধ চলে আসছে।এই বিরোধকে কেন্দ্র করে “মামুন পেয়াদা আমাদের রোপণ করা ধান ক্ষেতে লবন ও ওষুধ প্রয়োগ করে সব নষ্ট করে দিয়েছেন। যুবরাজ হাওলাদার বলেন,আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয় ইউনিয়নের আঠারগাছিয়া গ্রামের ২০ নম্বর মৌজায় ৯ একর ৭৬ শতাংশ জমি য়েছে। জমিটি ১৯৬৫ সালে মৃত আব্দুল
আলী গংদের কাছ থেকে মোহাম্মদ রমজান আলী খান গং ক্রয় করেন।তারপর থেকে থেকে তারা ভোগদখল করে আসছেন । মামুন পেয়াদা আমাদের বিরুদ্ধে পাঁচটির বেশি মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। মামুন পেয়াদা ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে আমাদের হয়রানি করছেন।আমরা এর বিচার চাই।“মামুন আমাদের রোপণ করা ধান ক্ষেতে লবন ও ওষুধ প্রয়োগ করে সব নষ্ট করে দিয়েছেন।“আমরা মামুন পেয়াদার ভয়ে সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি।আমাদের সামাজিকভাবে হয়রানী করে আসছেন।”এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. মামুন পেয়াদা বলেন,স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়ন তালুকদার চক্রান্ত
করে আমাকে ফাসানোর জন্য এই ষড়যন্ত্র করেছেন। তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বিকার করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়ন তালুকদার বলেন,জমি নিয়ে বিরোধ যুবরাজ হাওলাদার ও মামুন পেয়াদা গংদের মধ্যে এখানে আমার ষড়যন্ত্র করার কি আছে। আমতলী উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, “ফসলি জমিতে আগাছানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে কৃষকদের প্রায় ২০০ থেকে ২৮০ মণ ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। তবে ফসলটি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, এবিষয় এখানো কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
The post আমতলীতে ধানক্ষেতে লবণ ও ওষুধ প্রয়োগে ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি appeared first on sokalerkhobor24.com.
