প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিন। রনজি ট্রফিতে ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার বাংলা। প্রতিপক্ষ সার্ভিসেসের অবস্থা আরও খারাপ। তাই দ্বিতীয় দিনের শেষে বঙ্গ শিবিরে প্রবলভাবে বেঁচে রয়েছে জয়ের আশা। স্পিনারদের দাপট সামলে দুই দলের কেউই ২০০র গণ্ডি পেরতে পারেনি। তৃতীয় দিনে সার্ভিসেস সেই অসাধ্য সাধন করে ফেলতে না পারলে হাসতে হাসতে পয়েন্ট ঢুকবে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের ঝুলিতে।
নয়াদিল্লির পালাম স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে ছিল স্পিনারদের দাপট। প্রথম দিন টসে জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলা। ভালো শুরু করেও শেষ পর্যন্ত অভিষেক পোড়েলরা আত্মসমর্পণ করেন ঘূর্ণি আক্রমণের সামনে। তবে বাংলা স্পিনাররাও পালটা ছোবল দিয়েছেন সার্ভিসেস ব্যাটিং লাইন আপে। প্রথম দিনের শেষে পাঁচ উইকেট খুইয়ে ৮৩ রান তুলেছিল সার্ভিসেস। প্রদীপ্ত প্রামাণিক ও আমির গনি তুলে নেন জোড়া উইকেট। দ্বিতীয় দিনেও স্পিন ত্রয়ীই হয়ে উঠলেন বঙ্গ ব্রিগেডের তুরুপের তাস।
প্রথম দিন উইকেট না পেলেও বিপক্ষের টেলএন্ডারদের সামনে ত্রাস হয়ে দাঁড়ালেন এই ম্যাচে কামব্যাক করা শাহবাজ আহমেদ। চারটি উইকেট এদিন তুলে নিলেন তিনি। অন্যদিকে আমিরের ঝুলিতে মোট চার উইকেট। তিন স্পিনারের সামনে রজত পালিওয়ারা কার্যত অসহায় আত্মসমর্পণ করলেন সোমবার। প্রথম ইনিংসে বাংলার ১৮৪ রানের জবাবে সার্ভিসেস থেমে গেল ১২২ রানে। অধিনায়ক রজতের ব্যাট থেকে এল সর্বোচ্চ ৪৮ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসেও ফের ব্যাটিং ব্যর্থতা বাংলার। দেড়শোর গণ্ডিও পেরতে পারেননি সুদীপ ঘরামিরা। সর্বোচ্চ ৩০ রান আসে অধিনায়ক অভিমন্যুর ব্যাট থেকে। অধিকাংশ ব্যাটারই দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। ১৪৬ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলার দ্বিতীয় ইনিংস। সার্ভিসেসের স্পিনার রাহুল সিং তুলে নেন পাঁচ উইকেট। পুলকিত নারাংয়ের ঝুলিতে দুই উইকেট। জয়ের জন্য সার্ভিসেসের সামনে ২০৯ রানের টার্গেট রেখেছে বাংলা। কিন্তু এই ম্যাচে কোনও দলই দুশো পেরতে পারেনি। সার্ভিসেস কি সেটা করে ফেলতে পারবে? নাকি বাংলা জয় ছিনিয়ে নেবে স্পিনারদের দাপটে? প্রথম ম্যাচে দিল্লিকে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় পাবে বাংলা?
