শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ দুপুর
নিউজ ডেস্ক: মানিকগঞ্জের বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও কমছে না দাম। বাজারে বেগুন, মুলা, আলু, শসা, করলা, শিম ও ফুলকপিসহ নানা ধরনের সবজি পর্যাপ্ত পাওয়া যাচ্ছে। তবে আলু ছাড়া অধিকাংশ সবজির দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বাজারে পর্যাপ্ত সবজি থাকলেও দাম বেশি থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
সরেজমিনে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো রয়েছে নানা ধরনের সবজি। আলু ছাড়া অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। টমেটো ও গাজরের দাম কেজিপ্রতি ১৬০ টাকা। কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা এবং ফুলকপি প্রকারভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রতি কেজি শিমের দাম ১৪০ টাকা।
বাজার করতে আসা রেবেকা সুলতানা (৫৫) বলেন, অফিস বন্ধ থাকায় শুক্রবার বাজার করতে এসেছেন তিনি। বাজারে শীতকালীন সবজিতে ভরপুর থাকলেও আলু ছাড়া প্রায় সবকিছুর দাম বেশি। তার অভিযোগ, এলাকার উৎপাদিত সবজি হওয়া সত্ত্বেও দাম কমছে না। এক কেজি শসা ১০০ টাকা, গাজর ও টমেটো ১৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, বাজারের তুলনায় ভ্যানে সবজির দাম অনেক কম।
এদিকে, বাসস্ট্যান্ড এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে বেশি দামে সবজি কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাঁদের দাবি, কিছুটা বেশি দামে বিক্রি না করলে ব্যবসায় টিকে থাকা কঠিন। অনেক সময় সবজি পচে নষ্ট হয়, তখন সেই লোকসান পুষিয়ে নেওয়ারও সুযোগ থাকে না।
তবে আড়তদারের অভিযোগ, তারা পাইকারি পর্যায়ে যে দামে সবজি বিক্রি করেন, খুচরা বিক্রেতারা অনেক ক্ষেত্রে তার দ্বিগুণ দামে বিক্রি করেন। এতে খুচরা বাজারে সবজির দাম বেড়ে যায়।
সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী এলাকার সবজি ব্যবসায়ী রুবেল মিয়া বলেন, তাঁরা পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি বেগুন ৩০ টাকায় বিক্রি করেন। অথচ খুচরা বাজারে সেই বেগুন কিনতে ক্রেতাদের ৮০ টাকা দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, সবজির দাম বেশি থাকলেও কৃষকেরা সেই অনুপাতে লাভ পাচ্ছেন না।
