জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সার্ভারের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শাস্তির আওতায় আনার হুশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল মঙ্গলবার ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। জানা গেছে, সার্ভারের পাসওয়ার্ড বিভিন্ন ফটোকপির দোকানেও মিলছে— এমন তথ্য জানার পর এমন হুশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ এক
চিঠিতে কর্মকর্তাদের বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনসংক্রান্ত কার্যক্রমে ব্যবহৃত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে দায় নিতে হবে মর্মে নির্দেশনা জারি করতে হবে। এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) পুনরায় সংশোধনের প্রস্তাব উপস্থাপন করতে হবে।
আঙুলের ছাপ না দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এনআইডি আবেদন : এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) না দিলে আবেদনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করে দেবে ইসি। এ ব্যবস্থা চালু করতে সিস্টেম ম্যানেজারকে নির্দেশনা দিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। গতকাল ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার নিবন্ধনের জন্য অনলাইন আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী বায়োমেট্রিক দিতে না এলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর আবেদনটি সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করার ব্যবস্থা করতে হবে।
এ ছাড়া ২০১২ সাল থেকে মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহে সংরক্ষিত স্ক্যান ও আপলোডকৃত ভোটার নিবন্ধন ফরম (ফরম-২) এবং গোডাউনে রক্ষিত অপ্রয়োজনীয় ও নিষ্পত্তিযোগ্য দ্রব্যাদি ৩১ অক্টোবর মধ্যে নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখ পর্যন্ত সংরক্ষিত ফরম-২ আগের মতো অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তা মণ্ড তৈরিতে ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও এনআইডি মহাপরিচালককে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
