ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়ায় একটি দুর্গাপূজার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে এই অভিযোগ করেন দিলীপ ঘোষ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মন্ত্রীদের ফেসবুক পোস্ট দেখলে বুঝতে পারবেন কারা এর পেছনে আছে, কি উদ্দেশ্য রয়েছে। আগে এরা পেছনে ছিল, এখন প্রকাশ্যে আসছে। বিদেশ থেকে যারা ভারতকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন, তাদের অঙ্গুলি হেলনেই আন্দোলনকারীরা এসব করে বেড়াচ্ছেন।
তবে বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তুলে ধরেননি তিনি। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি অর্থের জোগান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ ঘোষ।
তিনি দাবি করেন, বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আসছে এবং সেই অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট (এফসিআরএ) বিল আনছে। এই বিল আটকে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে।
দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই যে ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাঁর পিছনে যে বিদেশি শক্তি রয়েছে, একথা তো বারবার বলা হচ্ছে। বিদেশ থেকে মদত দেওয়া হচ্ছে। তবে ফান্ডিংয়ের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে ওরা আরও ভয় পেয়েছে।’
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পশ্চিমবঙ্গের এই বিজেপি নেতা।
বিরোধী ‘ইন্ডিয়া জোটকে’ কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘তাদের হাতে এখন তেমন কোনো কাজ নেই। কখনো পূজার সময় ঘোরাঘুরি ও আনন্দ-উৎসবে অংশ নেওয়া, আবার শীত এলে ধরনায় বসাই তাদের কাজ’।
