দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট কাটছে না। মাঝেমধ্যে সূচক বাড়লেও লেনদেনে ধারাবাহিক গতি ফিরছে না। অধিকাংশ শেয়ারের দর, লেনদেনের পরিমাণ ও বাজারের প্রধান সূচকের প্রবণতায় স্থিতিশীলতার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। ফলে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা থাকলেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
গতকাল মঙ্গলবার সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪.৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪০৮.৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৩৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা কমে ৪১৬ কোটি ১০ লাখ টাকায় নেমেছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৪৫২ কোটি ৮১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ৮.১ শতাংশ।
বিজ্ঞাপন
এদিন ডিএসইতে ১৯৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৫টির। তবে বড় মূলধনী কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ৫.১১ পয়েন্ট এবং শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক কমেছে ০.৫৫ পয়েন্ট। ফলে প্রধান সূচকের সামান্য উত্থানের বিপরীতে বাজারের অন্য দুই সূচকে পতন হয়েছে।
খাতভিত্তিক চিত্র : ডিএসইর খাতভিত্তিক সূচকে মিউচুয়াল ফান্ডে ৭.৫ শতাংশ, বিমায় ৩.৬ শতাংশ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১.৪ শতাংশ এবং বস্ত্র ও প্রকৌশল খাতে ০.৯ শতাংশ করে উত্থান দেখা গেছে। বিপরীতে বিবিধ খাতে ১.১ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ০.৪ শতাংশ এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ০.৩ শতাংশ পতন হয়েছে।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, যার দর বেড়েছে ৯.৯১ শতাংশ। এরপর মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের ৯.৭ শতাংশ এবং বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ৮.৭০ শতাংশ দর বৃদ্ধি হয়েছে।
চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইএক্স ২৪.৫৪ পয়েন্ট কমেছিল। দ্বিতীয় কার্যদিবসে সূচকটি আরো ৪৬.২ পয়েন্ট পড়ে ৫ হাজার ৪০৪ পয়েন্টে নামে। দুই দিনের পতনের পর গতকাল সূচকের সামান্য উত্থান হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মঙ্গলবার সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২.৮৯ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৫৪৮.৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
