বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, উৎসব আমাদের সব বিভাজন মিলিয়ে দেয় এবং একই ভিত্তির ওপর দাঁড়ানোর শক্তি জোগায়। এ কারণে যুগ যুগ ধরে একই ভূখণ্ডে বসবাসকারী বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে উৎসব উদযাপন করে আসছেন।
তিনি আরও বলেন, আজ এই বিখ্যাত রমনা কালীমন্দিরে দুর্গাপূজার আয়োজন চলছে। অন্য ধর্মের অনুসারী হলেও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইয়েরা আমাদের এই উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত রমনা কালীমন্দিরে দুর্গাপূজা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, হাজার বছর ধরে আমরা একে অপরের উৎসবে অংশগ্রহণ করে আসছি। অনেকেই আমাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার স্বীকার করেন না। পূজাকে কেন্দ্র করে অনেক অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বিএনপি সব নেতাকর্মীকে প্রত্যেক মন্দিরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে, যাতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নিরাপদে ও নির্দ্বিধায় উৎসব পালন করতে পারেন। দেশের সব মন্দিরে বিএনপির নেতাকর্মীরা এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, আগে প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৫০০ কেজি চাল বরাদ্দ ছিল। এখন তা বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি মন্দির ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ পাবে। পুরোহিতদের জন্য সরকার উৎসব ভাতা হিসেবে অতিরিক্ত ৩ হাজার টাকা যুক্ত করেছে।
তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে কাজ করার এই মনোভাব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এবং এই চিন্তা বিএনপির। সেই স্পৃহা নিয়েই বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের এই দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা থাকবেন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাও থাকবেন। তাঁরা প্রত্যেকেই সমান অধিকার ভোগ করবেন।
শ্রী শ্রী আনন্দময়ী আশ্রমের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্যসহ সনাতন সম্প্রদায়ের ভক্তরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
