সম্পাদকীয়তে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎসহ দেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৩২ হাজার ৬৮৮ মেগাওয়াট।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি)। সংস্থাটি বলছে, শুধু উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এজন্য নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, সাশ্রয়ী মূল্য ও নীতির ধারাবাহিকতা জরুরি।
গতকাল প্রকাশিত আইসিসিবির ত্রৈমাসিক বুলেটিনের সম্পাদকীয়তে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়।
সম্পাদকীয়তে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎসহ দেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৩২ হাজার ৬৮৮ মেগাওয়াট। সরকারের ২০২৬-২৩১ মেয়াদের পরিকল্পনায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে ১৫০টি কূপ খনন ও সংস্কারের কার্যক্রম চলছে। অন্যদিকে ২০২৮ সালের মধ্যে মহেশখালীতে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মাতারবাড়ীতে এলএনজি গ্রহণের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
আইসিসিবি বলছে, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ ও স্থিতিশীল নীতিমালা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত উদ্যোগ জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।