হোসেনপুরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৫
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। ছবি: খবরের কাগজ
-->কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের হাজীপুর বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জিনারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুছ ও মো. আজহারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে রবিবার দুপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন আহত হন।
আরও পড়ুন
খবর পেয়ে হোসেনপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জিনারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজাহারুল ইসলাম রহিদ বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান কুদ্দুছের লোকজন ও নতুন চেয়ারম্যান প্রার্থী আজহারের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এসকে রাসেল/আজহার/
আরও পড়ুন
চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ সার জব্দ, ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সরকারি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার ‘নাঈম অটোমোবাইল ও বীজ ভাণ্ডার’-এর গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।
মামলার আসামি নাঈম হোসেন দামুড়হুদা উপজেলার বিএডিসির সার ডিলার ও নাঈম অটোমোবাইল ও বীজ ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী।
আরও পড়ুন
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার যৌথভাবে ওই গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বিপুল পরিমাণ সার মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। গোডাউন থেকে ৩৭০ বস্তা টিএসপি, ১ হাজার ১২০ বস্তা ডিএপি ও ১০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা সারের পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ বস্তা। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক ধারণা, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব সার অবৈধভাবে মজুত করা হয়েছিল।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএডিসির সার ডিলারের গোডাউনে যৌথ অভিযানে সার জব্দ করা হয়েছে। মজুত করা এসব সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ডিলার। এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান, অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে নাঈম অটোমোবাইল ও বীজ ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী নাঈম হোসেনের বিরুদ্ধে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিজানুর রহমান/অন্তরা/
আরও পড়ুন
মেহেরপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মেহেরপুর শহরের নতুন পাড়ায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মোশারফ হোসেন(৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মেহেরপুর শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল দুপুরে মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রী নিজ বাড়িতে কাজ করছিল। এ সময় মোশারফ হোসেন ওই বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ছাত্রীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
আরও পড়ুন
পরে সন্ধ্যায় ঘরে একটি মোবাইল ফোনের রিংটোন শুনে ছাত্রীর মা আনোয়ারা খাতুন ফোনটি উদ্ধার করেন। কিছুক্ষণ পর মোশারফ এসে ফোনটি নিজের দাবি করে নিয়ে যায়। এরপর মেয়ের বারবার বাথরুমে যাওয়া-আসা দেখে সন্দেহ হলে মা তাকে জিজ্ঞাসা করেন। তখন ছাত্রী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা জানায়। পরে তাকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ছাত্রীর মা আনোয়ারা খাতুন বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা করেন। মামলাটির নম্বর জিআর ১১২/২০২৫ এবং শিশু নির্যাতন মামলা নম্বর ২৬/২০২৬।
তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার চলাকালে মোট ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর পারভীন সুলতানা। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী।
তারেক হোসেন/
আরও পড়ুন
সাজেকের সংকট সমাধানে তিন সদস্যের কমিটি গঠন
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সাজেকের সংকট সমাধানে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে জেলার হেডম্যান ও কারবারিদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাজেকে চলমান আন্দোলন ও উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে করণীয় নির্ধারণে জেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে।
আরও পড়ুন
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি খাগড়াছড়ির এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন।
সভা শেষে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি বলেন, ‘সাজেকে চলমান সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। রাঙামাটির তিনজন হেডম্যান ও কারবারিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উদ্যোগে খাগড়াছড়ির হেডম্যান ও কারবারিরাও সম্পৃক্ত থাকবেন। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজানের মধ্যস্থতায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার আয়োজন করা হবে। তিনি সাজেকের চলমান সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।’
পাহাড়ে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পর্যটনশিল্পের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সংকটের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান ও কারবারিসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। তবে পাঁচ দফা দাবি যারা জানিয়েছে, তারা কারা তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, 'আমরা কাদের সঙ্গে আলোচনায় বসব? তারপরও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। আমরা স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আশা করছি, খুব শিগগিরই সাজেক সংকট থেকে উত্তরণের উপায় বের করা হবে।’
সভায় সাজেকে আন্দোলনকারীদের মধ্যে হেডম্যান ও কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানার ব্যবহারের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্দোলনকারীদের ব্যবহৃত ওই ব্যানার তাদের নয়। প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধানে কারবারিদের নিয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী রাঙামাটি এমপি দীপেন দেওয়ান। এছাড়া রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবসহ বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং রাঙামাটির হেডম্যান ও কারবারিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাঙামাটির অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র সাজেকের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। এ অবস্থায় সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে আলোচনা, সমঝোতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জিয়াউর রহমান জুয়েল/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
প্রবারণা পূর্ণিমা ঘিরে বর্ণিল আয়োজন বান্দরবানে
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমাকে ঘিরে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে পাহাড়ি জেলা বান্দরবান। উৎসবকে বরণ করে নিতে চলছে নানা আয়োজন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বান্দরবান জেলা শহরের স্থানীয় রাজার মাঠে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিংপ্রু জেরী এবং সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে রাজার মাঠে স্থানীয় শিল্পীদের আয়োজনে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সোমবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে শুরু হবে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা। এর মধ্যে রয়েছে ছোয়াইং দান, বুদ্ধ পূজা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।
আরও পড়ুন
প্রবারণা পূর্ণিমার অন্যতম আকর্ষণ রথ টানা অনুষ্ঠিত হবে সোমবার বিকেলে। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেবেন। এরপর সন্ধ্যা থেকে শুরু হবে ফানুস বাতি উত্তোলন ও হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে পূর্ণিমা তিথিতে প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্যাপন করা হয়।
রিজভী রাহাত/খাদিজা রুমি/
