যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হারুন অর রশীদ হারুনকে গালিগালাজ ও মামলা নথি চুরির অভিযোগে সদস্য একেএম নুরুজ্জামান কাশেমকে শো-কজ করেছে করা হয়েছে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ গফুর স্বাক্ষরিত নোটিশে তাাকে তিন দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
গত ৮ অক্টোবর সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন অর রশীদ হারুন সমিতিতে এ অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, হারুন অর রশীদের টেবিলে এসটিসি ৫৯৮/১৩ নম্বর মামলার একটি নথি রাখ রাখা ছিল। পরে তিনি আর নথিটি খুঁজে পাচ্চিলেনা। এ সময় পাশে বসা আইনজীবী একেএম নুরুজ্জামান কাশেমের কাছে নথির বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি নথিটি দেখেননি বা নেননি বলে জানান। এরমধ্যে নুরুজ্জামান কাশেম তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে সমিতির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, অ্যাডভোকেট আবু নাসের মো. ফরিদ উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট অজিত কুমার দাসের উপস্থিতিতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। তাতে দেখা যায় ৮ অক্টোবর সকাল ১০টা ২২ মিনিট থেকে ১০টা ২৪ মিনিটের মধ্যে আইনজীবী কাশেমকে ওই নথিটি টেবিল থেকে নিয়ে তার সঙ্গে থাকা কালো ব্যাগে রেখে দেন।
সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া নোটিশে এ ঘটনাকে শৃঙ্খলাপরিপন্থী ও আইন পেশার মর্যাদাহানিকর আচরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সমিতির গঠনতন্ত্রের তৃতীয় অধ্যায়ের ১০ (ক), (খ) এবং ত্রয়োদশ অধ্যায়ের ৬৯ (ক), (খ) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ অবস্থায় সমিতির গঠনতন্ত্রের ৭০ (ক) ধারা অনুযায়ী কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
