আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রবল বৃষ্টি, ঠাকুর দেখার জন্য প্রবল মানুষের ভিড় সব মিলিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির ফলে শনিবার পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে উত্তর কলকাতার অন্যতম বড় পুজো চোরবাগান সর্বজনীনের পুজোমণ্ডপে। এই দুর্ঘটনায় ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত আরও ২৫ জন। উৎসবের মরশুমে এই দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে দেশের সব বড় নেতারা। এবার চোরবাগানে পদপিষ্টের ঘটনায় শোক প্রকাশ করল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)। একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে সঙ্ঘের তরফে।
সঙ্ঘের দক্ষিণবঙ্গ শাখার প্রান্ত সঙ্ঘচালক সারদা প্রসাদ পালের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, “গত ১৭ অক্টোবর, দুর্গাসপ্তমীর সন্ধ্যায় কলকাতার একটি পুজোমণ্ডপে ঘটে যাওয়া ভয়ানক দুর্ঘটনা রাজ্যবাসীকে শোকবিহ্বল করে দিয়েছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ শোকসন্তপ্ত প্রতিটি পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। পুজো কমিটি, প্রশাসন ও পুজো দর্শনার্থীদের প্রতি অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের সনির্বন্ধ অনুরোধ রইল। সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকেরা ১৭ তারিখ রাত থেকেই হাসপাতালে ও মর্গে পীড়িত পরিবারগুলির সেবা করে চলেছে। এই ভয়ঙ্কর সময়ে দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গা আমাদের সকলকে শক্তি প্রদান করুন। ওঁ শান্তি: শান্তি: শান্তি:।”

শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন পুজো মণ্ডপে পদপিষ্টের কারণে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো। কলকাতা পুলিশের তরফে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ভারতীয় ন্যয় সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-র ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরেই রাজ্য সরকার ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮ টোল ফ্রি হেল্পলাইন চালু করেছে। কলকাতা পুলিশও ০৩৩ ২২১৪১৩১০ টোল ফ্রি হেল্পলাইন চালু করেছে। মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের পাঁচ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসার সব খরচ বহনের দায় নিয়েছে রাজ্য সরকার।
