সাভারের আশুলিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও চলমান দেওয়ানি মামলা উপেক্ষা করে তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদ্রাসার নতুন অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনের অভিযোগ উঠেছে। পাঁচ সদস্যের এ কমিটিতে মাদ্রাসায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় একাধিক আসামিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।? গত ১১ অক্টোবর ছয় মাসের জন্য নতুন এ অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন দেয় ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা-সংক্রান্ত সম্পত্তিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন যুগ্ম জেলা জজ আদালত। মাদ্রাসার মূল ফটকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নোটিশ টানানো থাকলেও নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, নতুন কমিটির বিদ্যোৎসাহী প্রতিনিধি হিসেবে প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ সালেহ উদ্দিন সাঈদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে থানায় দায়ের করা তিনটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর দায়ের করা এক মামলায় তাকে আসামি করা হয়। চলতি বছরের ১১ মার্চ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দায়ের করা আরেকটি মামলায় তিনি আসামি। এর আগে গত বছরের ২৫ জুন ডা. মোহাম্মদ সালেহ উদ্দিন সাঈদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও তহবিল তসরুফের অভিযোগ তুলে তাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ২২ সেপ্টেম্বর হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে থানায় মামলা করেন ট্রাস্টের সেক্রেটারির সহকারী এসএটি নুরুজ্জামান। এছাড়া চলতি বছরের ৯ মার্চ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাংচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মাদ্রাসার উপপরিচালক সৈয়দ সানজিদ আরেকটি মামলা করেন।