নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচজন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার সরকার পাড়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন- জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা এবং ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাট এলাকার সামাদ ফকির ও পালেরচর এলাকার শাহিন।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আরো দুইজন
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বরগুনা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১০জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল, নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা এবং ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাট এলাকার সামাদ ফকির ও পালেরচর এলাকার শাহিন রয়েছে। তারা ব্যবসায়িক কাজে নাটোরে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। একই উপজেলায় পাঁচজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে তাঁদের পরিবারগুলোতে শোকের মাতম চলছে। প্রিয়জনদের হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন স্বজনেরা। পুরো এলাকায় বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ।
জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালেহ আহম্মদ বলেন, আমরা বিষয়টি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান বলেন, “বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।
