ছবি: সংগৃহীত
-->ফুটবল মানেই উত্তেজনা আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই। সান সিরোতে এসি মিলান ও আটালান্টার লড়াইয়ে ছিলে টান টান উত্তেজনা। পাঁচ গোলের ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে স্বাগতিক মিলান। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ দিকে প্রতিপক্ষের পাল্টা আক্রমণে চাপে পড়ে দলটি। তবে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোসোনেরিরা।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সান সিরো স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে এসি মিলান। ১৩ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিকদের।
২৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে মিলানকে এগিয়ে দেন গনসালো রামোস। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ান আদ্রিয়েন রাবিয়োট। ৪৩ মিনিটে তার গোলে ২-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় মিলান।
আরও পড়ুন
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে মিলান। ৫৮ মিনিটে মারিও গিলার গোলে (৩-০) এগিয়ে যায় তারা। তখন মনে হচ্ছিল, সহজ জয়ই পেতে যাচ্ছে স্বাগতিকরা।
কিন্তু ম্যাচের গল্প তখনো বাকি। হাল ছাড়েনি আটালান্টা। ৬৬ মিনিটে জিয়ানলুকা গায়েতানোর গোলে ব্যবধান কমায় সফরকারীরা। এরপর ৮১ মিনিটে নিকোলা ক্রস্টোভিচের গোলে ম্যাচ জমে ওঠে আরও বেশি। ব্যবধান নেমে আসে ৩-২-এ।
আরও পড়ুন
দুই গোল শোধ করে সমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে আটালান্টা। শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণে মিলানের রক্ষণে চাপ তৈরি করে তারা। তবে গোলরক্ষক মাইক মাইগনানের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত আর সমতা ফেরানো সম্ভব হয়নি।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্বস্তি ফেরে মিলান শিবিরে। তিন গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল দলটি। তবে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়ে রোসোনেরিরা।
আরও পড়ুন
বল দখলে এগিয়ে ছিল এসি মিলান। তাদের পজেশন ছিল ৫৬ শতাংশ, আটালান্টার ৪৪ শতাংশ। তবে মোট শটে সামান্য এগিয়ে ছিল সফরকারীরা। আটালান্টার ১২টি শটের বিপরীতে মিলানের শট ছিল ১১টি। লক্ষ্যে শটের হিসাবে অবশ্য এগিয়ে স্বাগতিকরা। মিলানের ছয়টি শট লক্ষ্যে থাকলেও আটালান্টার ছিল চারটি।
পাপ্পু/
