Published on
:
1 min read
এই সময়: ঊর্ধ্বমুখী দৌড় থামার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দরে। শুক্রবার তা পৌঁছে গেল ব্যারেলপ্রতি ১১৮ ডলারে। যার জেরে ক্রমশ কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতির পরিমাণ বাড়ছে জ্বালানি ক্ষেত্রে ভারতের মতো আমদানি নির্ভর দেশে।
শুধু তেলের দরেই নয়, টানা আট মাস হরমুজ় জট জারি থাকায়, গত এক বছরের নিরিখে তেলের পরিবহণ খরচ ৬০০% বেড়েছে বলে শুক্রবার দাবি করা হল বিশেষজ্ঞ সংস্থা গোল্ডম্যান স্যাক্স-এর এক রিপোর্টে। যেখানে বলা হয়েছে, গত বছর অক্টোবরে যেখানে ব্যারেলপ্রতি ব্রেন্ট ক্রুড-এর পরিবহণ খরচ ছিল ৩ ডলার, যুদ্ধের আঁচে এবং সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে বিমার খরচ অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় তা এখন পৌঁছে গিয়েছে ২০ ডলারের ও-পারে।
সংস্থার বিশেষজ্ঞদের দাবি, এখনই যুদ্ধ বন্ধ হয়ে গেলেও তেলের পরিবহণ খরচ যুদ্ধের আগের জায়গায় পৌঁছতে আরও বেশ কয়েক মাস লেগে গেলে আশ্চর্যের কিছু থাকবে না। যার ফলে বিপুল আর্থিক ক্ষতি আরও কয়েক মাস সইতে হবে এশিয়া-সহ বিশ্বের একাধিক দেশের রিফাইনারিগুলিকে।
সেক্ষেত্রে তাদের কাছে দু'টো মাত্র পথ খোলা থাকছে, হয় ক্রেতার উপর সেই ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া, যা অনেকাংশেই সম্ভব হচ্ছে না সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের চাপে। কারণ তাতে দেশে যে মূল্যবৃদ্ধি পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা সামাল দেওয়া শক্ত হবে। আর দ্বিতীয় পথ, নিজেদের মার্জিন কমানো। এখন দেখার তেলের দর আরও চড়লে কোন পথে হাঁটে সংস্থাগুলি।
