বগুড়ার সারিয়াকান্দি বিপুল পরিমানে চোলাই মদ ও মদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তা ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্দেশে ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিছনে সুইপার কলোনীতে থানা পুলিশ ও বগুড়া জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.মিকাইল ইসলাম। অভিযানকালে প্রায় ৯ শ ৫৫ লিটার অবৈধ চোলাই মদ ও এই মদ তৈরি করার সরঞ্জাম উদ্ধার করেন।
এ সময় মদ তৈরির সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। প্রায় ১ ঘন্টার অভিযান পরিচালনা করে জব্দ হওয়া চোলাই মদ ও তৈরি করার সরঞ্জাম সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
জানা গেছে, পৌর এলাকার সরকারী হাসপাতালে পিছনে সুইপার কলোনীতে দীর্ঘদিন ধরে চোলাই মদ তৈরি করে তা বিক্রি করা হচ্ছিল। বিভিন্ন সময় উপজেলা আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে মাদক তৈরি ও বিক্রির বিষয় নিয়ে অনেকেই অভিযোগ করে আসছিলো। এরি ধারাবাহিকতায় উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.ফ.ম আছাদুজ্জামান বলেন, এই কলোনী থেকে মদ তৈরি করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় এসব মদ বিক্রি করা হয়। এলাকার সাধারণ মানুষ ও হাসপাতালের বিভিন্ন জনের এই মাদক বিষয়ে অভিযোগ ছিলো। তাই আজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করে তাকে থানা পুলিশ ও জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সহযোগিতা করে। থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় চিরুনী অভিযান শুরু করেছে। কোনো অবস্থায় অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, এস.এম.মিকাইল ইসলাম বলেন, আমরা মাদক বিরোধী টাস্ক ফোর্সের মাধ্যমে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছি। এখানে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সবাই মাদক থেকে দুরে থাকবেন সমাজের সকল স্তরের মানুষ মাদক সম্পর্কে সচেতন হবেন। মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
