ঢাকা: নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে নির্বাচন কমিশনের পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে পূর্ণ সক্ষমতায় স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট করার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইসি কমিশনের সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি জানান, অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, যা পরবর্তীকালে একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে। এর পাশাপাশি স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিং তরান্বিত করা, অডিট অবজেকশন নিষ্পত্তি এবং অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া ভোটার তালিকা থেকে মৃত ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়ার বিদ্যমান প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। কমিশনার জানান, কোনো ভোটারের মৃত্যু হলে পরিবার বা অন্যান্য তথ্যসূত্রের বিলম্বের কারণে এতদিন তালিকায় তা সময়মতো হালনাগাদ করা সম্ভব হতো না। এই প্রক্রিয়াটিকে আরও যুগোপযোগী করতে এবং বিকল্প উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট উপজেলা ও ইউনিয়নে একটি পাইলট প্রজেক্ট চালু করা হবে। এই কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় তা বাস্তবায়ন করা হবে।
অন্যদিকে আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার বিষয়ে কমিশন তার পূর্বের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। বর্তমানে অব্যবহৃত ইভিএমগুলোর নিষ্পত্তির (ডিসপোজাল) লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত আইনগত ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংক্রান্ত নানা জটিলতা দ্রুত দূর করে ইভিএমগুলো চূড়ান্তভাবে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
