- ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নবপত্রিকা স্নান দিয়ে মহাসপ্তমীর পুজো শুরু হল উত্তর শহরতলির বারোয়ারি ও বনেদি বাড়িতে। নাগেরবাজার থেকে শুরু করে কাঁচরাপাড়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের থিম নির্ভর পুজো হয়েছে। যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছে। বেশ কিছু মণ্ডপ হয়েছে দেখার মতো। তা দেখতে মানুষকে দিতে হয়েছে লম্বা লাইন। তাঁদের উৎসাহের কোনো খামতি নেই।
থিম ও সাবেকির মেলবন্ধনে বেশ কিছু মণ্ডপ বাস্তবিকই আকর্ষণীয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাগেরবাজারের তেলিপুকুর, বরানগরের লোল্যান্ড, সোদপুরের বিজয়পুর সার্বজনীন, পানশিলা ঠাকুরবাড়ি, বারাকপুর চিড়িয়ামোড়ের যুবশক্তির মানস, নোনা চন্দনপুকুরের মধ্য নোনা অধিবাসীবৃন্দ, ইছাপুর আনন্দমঠের হরিসভা সার্বজনীন, নৈহাটির রাজেন্দ্রপুর মৎস্য ব্যবসায়ী কমিটি, হালিশহরের বাগমোড়, কাঁচরাপাড়ার ১৬’র পল্লির পুজো মণ্ডপগুলি ভিড় টানায় এগিয়ে রয়েছে। তবে শনিবার সন্ধ্যায় বৃষ্টি কিছুটা হলেও বাদ সেধেছে ঠাকুর দেখায়। এদিন পুজো পরিদর্শন করেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। বিকেলে ইছাপুরে প্রাক্তন বিধায়ক মঞ্জু বসুর সঙ্গে দেখা করেন। বারাকপুর বিধানসভার বিভিন্ন জায়গায় এম এল এ ক্যান্টিন চালু হয়েছে। পুজোর চারদিন তা চালু থাকবে। দুপুরে যাতে কেউ অভুক্ত না থাকেন তার জন্য এই উদ্যোগ বলে জানান বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। অন্যদিকে নৈহাটিতে একটি বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের প্রতিমা দর্শনে নিয়ে যাওয়া হয়।
বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের একাধিক পুজোয় শিল্পকলা দেখতে প্রথম সপ্তমীর সন্ধ্যায় মানুষের ঢল নামে। সেই সুযোগে অটো, টোটোচালকরা ভাড়া বাড়িয়ে দেন। ঠাকুর দেখার পাশাপাশি খাওয়া দাওয়াও হয়েছে এদিন জোরকদমে। সোমবার ভোররাত থেকে অষ্টমী পুজো শুরু হবে। সকালে সন্ধিপুজো। তাই রবিবার রাতে ভিড় কিছুটা কমতে পারে বলে অনুমান।
