সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ধানকুনিয়া বিলের কিছু অংশে ইজারা না থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শত শত নৌকা নিয়ে বিলে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে বিলের মুখে জাল দিয়ে বেষ্টনী তৈরি করে মাছ ধরার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সরজমিনে গিদেখায়ে যায়, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পরও প্রতিদিন অসংখ্য নৌকা নিয়ে বিলে মাছ শিকার করছেন স্থানীয় জেলেরা। অন্যদিকে, আগে বিলটি ইজারা নিয়েছিলেন এমন ব্যক্তিরাও বিল ছেড়ে যাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধেও রাতের আঁধারে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে এজাদারদের সাথে মোঠু ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।
এ নিয়ে বিলে মাছ শিকার করা জেলেদের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও বাকবিতণ্ডা চলছে।
যেকোনো সময় এ বিরোধকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, বিলের মুখে জালের বেষ্টনী তৈরি করে মাছ শিকারের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এতে বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও মাছের অবাধ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এটি অবৈধ। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।
বিলের পাহারাদার মোশারফ বলেন, বিলে ভূমি অফিসের তসিলদার ও ধর্মপাশা থানা পুলিশের সদস্যরা এসে নিষেধ করে যাওয়া সত্বেও মাছ শিকার বন্ধ হচ্ছে না, বর্তমানে মাছ শিকার চলমান আছে কিন্তু প্রশাসনের কোন তৎপরতা নেই।
প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, বিলের মুখে জালের বেষ্টনী এবং জেলেদের মধ্যে চলমান বিরোধের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
