সময়টা ১৯৬২। জলপাইগুড়ি পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চুনাভাটি এলাকায় (বর্তমান নাম বিবেকানন্দ পাড়া) মাত্র ১৫ থেকে ২০টি পরিবারের বাস ছিল। এলাকায় দুর্গাপুজো না থাকায় যুবক পুলক মুন্সি পুজো শুরুর উদ্যোগ নেন। তাঁর পাশে দাঁড়ান অহিভূষণ গঙ্গোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ চৌধুরী, রবীন্দ্রনাথ গোপ, তপন দত্ত, অনিল কৃষ্ণ বোস-সহ অন্যরা। পুলকের মেয়ে রুমা মুন্সি বলেন, ‘প্রথম দিকে এলাকার পরিবারগুলি চাল, ডাল, আনাজ ও পুজোর সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করত। বাড়ির মহিলাদের কাপড়, বাঁশ ও গাছের ডাল দিয়ে তৈরি হতো মণ্ডপ। ১৯৬৮-র বন্যার পরে এলাকায় বসতি বাড়লে চাঁদা তুলে পুজো শুরু হয়।’ তিনি জানান, আশির দশকের মাঝামাঝি পুলক মুন্সির পাশাপাশি নরেন দাস, হিমাংশু সরকার, হরনাথ দাস, শ্যামল ঘোষ, অশোক গঙ্গোপাধ্যায়, আশিস গঙ্গোপাধ্যায়, বাসু সুর-সহ অন্যরা পুজোর দায়িত্ব নেন। তাঁদের হাত ধরেই পুজো বড় আকার পায়। এ বছর পুজো ৬৪তম বর্ষে।
