চ্যাম্পিয়ন লিগে জয়ের ধারা ধরে রাখল অ্যাস্টন ভিলা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম জমজমাট আসর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন লিগের লিগ পর্বে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখল অ্যাস্টন ভিলা। ঘরের মাঠ ভিলা পার্কে নরওয়েজিয়ান ক্লাব ভাইকিং এফকে-কে ৩-১ গোলে পরাজিত করে টানা তিন জয়ের স্বাদ পেল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলটি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য (৫৪%) বজায় রেখে খেলতে থাকে স্বাগতিক অ্যাস্টন ভিলা। ম্যাচের ২৩ মিনিটে মিডফিল্ডার রস বার্কলে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়ান। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ভিলা। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ৩৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া (২-০)। এই গোলের মাধ্যমে বয়েন্দিয়া অ্যাস্টন ভিলার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় টানা চার ম্যাচে গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়েন।
বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আগ্রাসী মনোভাব বজায় রাখে উনাই এমরির শিষ্যরা। ম্যাচের ৬২ মিনিটে ভিলার ফরোয়ার্ড অ্যালিসনের বাড়ানো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করেন ভাইকিং ডিফেন্ডার হেনরিক হেগহেইম। ফলে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
আরও পড়ুন
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এসে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় নরওয়ের ক্লাবটি। ৮৪ মিনিটে ক্রিস্টোফার আসকিল্ডসেনের ক্রসে চমৎকার এক ভলিতে জালেন দেখা পান ভাইকিংয়ের ফরোয়ার্ড পিটার ক্রিশ্চিয়ানসেন (৩-১)। যদিও প্রথমে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়েছিল, পরবর্তীতে ভিএআরের (VAR) সাহায্যে গোলের সিদ্ধান্ত বহাল করা হয়।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
টিভিতে আজ
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ক্রিকেট (সরাসরি)
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ
ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা
দুপুর ২টা, টি স্পোর্টস, সনি স্পোর্টস
নিউজিল্যান্ড-ভারত
প্রথম টি-টোয়েন্টি
দুপুর ১টা, সনি স্পোর্টস, সনি লাইভ
দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া
দ্বিতীয় টেস্ট, পঞ্চম দিন
দুপুর ২টা, স্টার স্পোর্টস
আরও পড়ুন
ফুটবল (সরাসরি)
ইউরোপা লিগ
জুভেন্টাস-রেঁনে
ওএফআই-বায়ার লেভারকুসেন
রাত ১০টা ৪৫ মিনিট
বোর্নমাউথ-এসি মিলান
রাত ১টা, সনি টেন, সনি লাইভ, ট্যাপম্যাড
সৌদি প্রো লিগ
আল ফাতেহ-আল শাবাব
রাত ১০টা ৪৫ মিনিট
আল আহলি-আল খালিজ
রাত ১২টা, ফ্যানকোড
আরও পড়ুন
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
কোমোর কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শুরুতেই ধাক্কা। বিরতির পর আরও বিপর্যয়। শেষ পর্যন্ত বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়ল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতালির কোমো ১৯০৭-এর কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে রেড ডেভিলরা। এই হারে আরও চাপে পড়েছেন ইউনাইটেড কোচ মাইকেল ক্যারিক। দলের টানা ব্যর্থতায় তার ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) স্তাদিও জুসেপ্পে সিনিগাগলিয়ায় ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় কোমো। মাত্র ২ মিনিটের মাথায় আর্জেন্টাইন তারকা নিকো পাজের চমৎকার ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় কোমো। শুরুর ধাক্কা সামলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলেও স্বাগতিকদের গোছানো পাসিং ফুটবলের সামনে বারবার বাধাগ্রস্ত হয় তাদের আক্রমণভাগ। প্রথমার্ধ ১-০ গোলে শেষ হলেও দ্বিতীয়ার্ধে যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে কোমো।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর মাত্র চার মিনিটের মাথায় (৪৯ মিনিট) নিকো পাজেরর পাস থেকে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন গ্রিক ফরোয়ার্ড আনস্তাসিওস ডউভিকাস। ৫৭ মিনিটে ইউনাইটেড মিডফিল্ডার কার্লোস বালেবার ভুল থেকে বল কেড়ে নিয়ে একক প্রচেষ্টায় নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি আদায় করে নেন ম্যাচসেরা নিকো পাজ।
আরও পড়ুন
৭৬ মিনিটে গিয়ে রেড ডেভিলদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন সেন্টার-ব্যাক জাকোবো রামোন। কালাইকি ব্রুনোর ক্রস থেকে চমৎকার হেডে গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+১ মিনিট) আমাদ দিয়ালোর বাড়িয়ে দেওয়া বলে বদলি ফরোয়ার্ড জোশুয়া জিরকজি ইউনাইটেডের হয়ে একটি সান্ত্বনা গোল করলেও তা দলের বড় লজ্জা এড়াতে পারেনি।
বল দখলে কোমোর আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তাদের দখলে ছিল ৫৪ শতাংশ বল। ম্যানইউয়ের দখলে ছিল ৪৬ শতাংশ। কোমোর করা গোলমুখে ১২টি শটের ৯টিই ছিলো লক্ষ্যে। বিপরীতে ম্যানইউয়ের করা ১৩টি শটের লক্ষ্যে ছিল ৪টি।
আরও পড়ুন
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
ইনিংস জয়ের অপেক্ষায় দক্ষিণ আফ্রিকা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->পাল্টা লড়াইয়ের সুযোগই পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। বল হাতে আগুন ঝরাচ্ছেন মার্কো ইয়ানসেন ও কাগিসো রাবাদা। তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের স্বপ্ন দেখছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জেস পার্কে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রোটিয়াদের হাতে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিনের শুরুতে মাত্র ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর ফলো-অনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে তারা। দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৫৬ রান তুলেছে সফরকারীরা। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে এখনও ১৭০ রান প্রয়োজন অস্ট্রেলিয়ার।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিং করেন ইয়ানসেন। ৩৩ রানে ৫ উইকেট নেন এই বাঁহাতি পেসার। তার তোপে নিজেদের চতুর্থ সর্বনিম্ন টেস্ট ইনিংসে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় ইনিংসেও ধারাবাহিক রাবাদা। দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চাপ বাড়িয়েছেন তিনি। ওপেনার নিক ম্যাডিসনকে মাত্র ৮ রানে ফিরিয়েছেন এই পেসার। বোল্ড করেছেন ম্যাট রেনশকে। প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়ে বড় ভূমিকা রাখা রেনশ এবার সুবিধা করতে পারেননি। ফিরেছেন মাত্র ১১ রানে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার আশার নাম ট্রাভিস হেড। শুরুতে জীবন পেয়ে ৮৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। মারনাস লাবুশেনের সঙ্গে তার ৯২ রানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল। কিন্তু সেই জুটি ভাঙেন সাইমন হারমার। বড় শট খেলতে গিয়ে ইয়ানসেনের হাতে ক্যাচ দেন লাবুশেন।
আরও পড়ুন
প্রথম ইনিংসে ৩২৬ রানের লিড পেয়েও ফলো-অন করানোর সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও চোটের কারণে মাঠের বাইরে চলে যান পেসার আনরিখ নরকিয়া। তার অনুপস্থিতিতে বোলারদের ছোট ছোট স্পেলে ব্যবহার করেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। হারমারকে দিয়ে করান ১৮ ওভার। তাতেই আসে দুটি উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ইয়ানসেনের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। দিনের দ্বিতীয় ওভারে নিজের প্রথম বলেই নাইটওয়াচম্যান স্কট বোল্যান্ডকে ফেরান তিনি। এরপর একে একে আউট করেন হেড, রেনশ, অ্যালেক্স ক্যারি ও বিউ ওয়েবস্টারকে।
এদিকে ঘাড়ের চোটে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামেননি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। প্রথম ইনিংসে ২৮ রান করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন তিনি।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
১০ জনের ইন্টার মিলানের দাপুটে জয়
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০ এএম
সংগৃহীত
-->একজন কম নিয়েও দমে যায়নি ইন্টার মিলান। লাল কার্ডের ধাক্কা সামলে শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে ইতালির ক্লাবটি। কার্লোস আউগুস্তোর একমাত্র গোলে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচে শাখতার দোনেৎস্ককে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) মিলানের সান সিরোতে শুরু থেকেই দুই দলের লড়াই ছিল জমজমাট। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে যায় ম্যাচ। তবে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। বিরতিতে স্কোর ছিল ০-০।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘোরে ৬৮ মিনিটে। শাখতারের আক্রমণ রুখতে গিয়ে ম্যাচের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়েন ইন্টারের তারকা ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাস্তনি। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ায় কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় দলটি।
আরও পড়ুন
তবে এই ধাক্কা সামলেও আক্রমণ চালিয়ে যায় মিলান। ৭৭ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বদলি হিসেবে নামা হেনরিখ মেখিতারিয়ানের ক্রস থেকে বল জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার কার্লোস আউগুস্তো। তার গোলে এগিয়ে যায় মিলান। গ্যালারিতে শুরু হয় উল্লাস।
গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে শাখতার। একের পর এক আক্রমণ চালায় ইউক্রেনের দলটি। কিন্তু ইন্টার মিলানের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক ইয়োসেপ মার্তিনেসের দৃঢ়তায় সফল হতে পারেনি তারা।
আরও পড়ুন
শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সিমোনে ইনজাগির দল। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই জয় ইন্টারের লড়াকু মানসিকতারই প্রমাণ দিল।
পরিসংখ্যানে কিছুটা এগিয়ে ছিল শাখতার। মিলান ৪৯% এবং শাখতার ৫১% বল দখলে রাখে। মিলানের নেয়া ১১টি গোলমুখে শটের ৪টি ছিল লক্ষ্যে বীপরিতে শাখতার নেয়া ১২টি শটের লক্ষ্যে ছিল ৫টি। কিন্তু শেষ হাসি হেসেছে ইন্টার মিলানই।
পাপ্পু/
