শহিদুল ইসলাম : যশোরের শার্শার কায়বা ইউনিয়নের কোটা এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে তিনটি বড় মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামাত নেতা ইদ্রিস আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে বেলতলা-সিঙ্গা সড়কের কোটা রাইসমিল সংলগ্ন এলাকায় এই গাছ কাটার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভূমি অফিসের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষণিকভাবে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে কোটা রাইসমিল সংলগ্ন সড়কের পাশের তিনটি বড় মেহগনি গাছ কাটার কাজ শুরু করেন স্থানীয় জামাত নেতা ইদ্রিস আলী। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। পরে খবর দেওয়া হয় কায়বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। খবর পেয়ে ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে অফিস সহকারী পাঠানো হয় এবং গাছ কাটার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, ইতোমধ্যে কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা । তবে গাছগুলো যে জায়গায় ছিল সেটি সরকারি নাকি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং গাছগুলোর মালিকানা কার এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে জামাত নেতা ইদ্রিস আলী বলেন, গাছগুলো সরকারি জায়গায় নয়। তিনিই গাছগুলো রোপণ করেছিলেন। সরকারি গাছ কাটার ক্ষমতা আছে? গাছগুলো আমার লাগানো, তাই আমি কেটেছি। কায়বা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, গাছ কাটার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে অফিস সহকারীকে পাঠানো হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গাছ কাটা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ জানান,গাছ কাটার বিষয়টি আমরা শুনেছি এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

