আজকাল ওয়েবডেস্ক: বর্তমান ভারতীয় দলে প্রতিভাবান ওপেনারদের অভাব নেই। আইপিএলে নিজেদের দলে অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণরা স্টার ওপেনার। ওপেনিংয়ে টানা ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছেন অভিষেক। কিন্তু বৈভব সূর্যবংশী দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকে তাঁর এবং সঞ্জু স্যামসনের মধ্যে তুলনা চলছে। চলতি বছরের জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড সফরের জন্য প্রথমবার ভারতের সিনিয়র দলে সুযোগ পান সূর্যবংশী। আয়ারল্যান্ড সিরিজে পুরোটাই খেলেন সঞ্জু। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-২০ তেও তিনিই খেলেন। সেই ম্যাচগুলোতে ৫, ০ এবং ১ রান করেন। ইংল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দেশের জার্সিতে অভিষেক হয় বৈভবের। তিন ম্যাচে ১৪, ১৩ এবং ১৫ রান করেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টি-২০ তে দলে ফেরেন সঞ্জু। ২৭ রান করেন। পরের জিম্বাবোয়ে সিরিজ তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়। সেই সফরে বৈভবের রান ৫০, ২০ এবং ৮১। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে আবার দল থেকে বাদ।
কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত মনে করেন, নিয়মিত দল পরিবর্তন, প্লেয়ারদের বসিয়ে দেওয়া ক্রিকেটারদের মনোবলে ধাক্কা দিচ্ছে। যার ফলে সঞ্জু স্যামসনের পাশাপাশি বৈভব সূর্যবংশীর আত্মবিশ্বাসও তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ইউ টিউবে একটি ভিডিওতে শ্রীকান্ত বলেন, 'শুধু সঞ্জু নয়, টিম ইন্ডিয়া বৈভবের আত্মবিশ্বাসও ভেঙে দিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলের বিরুদ্ধে অন্তত ওকে তিনটে ম্যাচে খেলানো যেত। অভিষেক দীর্ঘদিন খেলছে। ওকে বিশ্রাম দেওয়াই যেত। পরের ম্যাচে সূর্যবংশী এবং স্যামসন ওপেন করতে পারে।'
সঞ্জুর ধারাবাহিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শ্রীকান্ত। ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে তিনটি অনবদ্য ইনিংস খেলেন স্যামসন। তারপর থেকেই ফর্ম পড়ে গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে শ্রীকান্ত বলেন, 'স্যামসন কখনই ধারাবাহিক নয়। ফর্ম ওঠা-নামা করে। ওর ধারাবাহিকতা নিয়ে সবসময়ই প্রশ্ন ওঠে। কখনও বিশ্বকাপের মতো দারুণ খেলে দেবে, আবার কখনও একটানা রান পাবে না। অভিষেক শর্মার ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন নয়। এবার আবার পরের ম্যাচে রান পাবে স্যামসন।' কপিল দেবের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য বৈভবকে দীর্ঘদিন বসিয়ে রাখার পক্ষপাতী নন। গৌতম গম্ভীর, শ্রেয়স আইয়ারদের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন শ্রীকান্ত।
