সপ্তাহ দুয়েক আগে বিগ বসের দুর্গে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি হয়েছিল রিয়েলিটি শোয়ের স্বঘোষিত ‘কুইন’ অনুষ্কা ঘোষের। ঢুকেই প্রতিযোগীদের মনোবল ভাঙার কোনও চেষ্টাই বাদ রাখেননি। খেয়েছিলেন দাদার ধমকও। তবে বারবার তাঁকে দাবি করতে শোনা গিয়েছিল, ট্রফি জিতবেন তিনিই। কিন্তু ইচ্ছে আর বাস্তবের যে বিস্তর ফারাক। আত্মবিশ্বাসে খামতি না থাকলেও দর্শকরা ভালোবাসা দিলেন না অনুষ্কাকে। দুর্গে প্রবেশের ২ সপ্তাহের মাথায় দর্শকদের ভোটাভুটিতে বেরিয়ে যেত হত তাঁকে। রবিবার দাদার দরবারে এভিকশন হল অনুষ্কার।
‘স্প্লিটসভিলা’ কাঁপানো কন্যে অনুষ্কা ঘোষ। যিনি ‘মিস ওড়িশা’ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা দিয়েই বিনোদুনিয়ায় শিকে ছিঁড়েছিলেন। পড়াশোনা কলকাতার আশুতোষ কলেজে। পরবর্তীতে ‘স্প্লিটসভিলা’য় যোগ দিয়ে একক লড়াইয়ে প্রতিযোগী হিসেবে আসমুদ্রহিমাচলের নজর কাড়েন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিগ বসের দুর্গে প্রবেশ করেন তিনি। ঢুকেই কার্যত শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। প্রথমেই তিনি টার্গেট করেছিলেন রাজবীর ও নন্দিনীকে। সম্পর্ক ভাঙার বিস্তর চেষ্টা তিনি করেছিলেন তিনি। কিন্তু লাভ হয়নি। আদতে ঘরের কারও সঙ্গেই ভাব জমাতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে মনামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও দর্শকদের মন জিততে পারেননি তিনি।
এ সপ্তাহে নমিনেটেডদের মধ্যে চারজন শনিবারই সেফ হয়ে গিয়েছিলেন। বিপদে ছিলেন ঝিলম ও অনুষ্কা। তাঁদের ভাগ্য ছিল দর্শকদের হাতে। রবিবার রাতে ‘দাদার দরবারে’ দেখা গেল, আরও এক সপ্তাহের জন্যে দুর্গে টিকে গেলেন ঝিলম। বেরিয়ে যেতে হল অনুষ্কাকে। আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হয়েও এভাবে বেরিয়ে যাওয়াকে যে মেনে নিতে পারেননি তা অনুষ্কার আচরণে বেশ স্পষ্ট। তবে দর্শকের রায়, মানতে তো হবেই। এরপর কার পালা? উত্তর মিলবে আগামী রবিবার।
