সেভেন আপের মান নিয়ে প্রশ্ন, ট্রান্সকমের এমডি সিমিনের বিরুদ্ধে মামলা
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কোমল পানীয় সেভেন আপের রাসায়নিক পরীক্ষায় নির্ধারিত মানের ব্যত্যয় পাওয়ার অভিযোগে ট্রান্সকম বেভারেজেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।
আগামী ১৬ নভেম্বর আদালতে হাজিরার দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলাটি করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. কামরুল হাসান। গত ১৪ অক্টোবর সেভেন আপ মানসম্পন্ন না হওয়ায় ট্রান্সকম বেভারেজেসের এমডি সিমিন রহমানের নামে তিনি মামলাটি করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার ব্রাদার্স কম্পিউটার অ্যান্ড কনফেকশনারি থেকে সেভেন আপ ন্যাচারাল লেমন ফ্লেভার এক্সট্রা ফিজের একটি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারের খাদ্য বিশ্লেষক ইলিয়াস জাহেদী পরীক্ষার প্রতিবেদন দেন। ল্যাব পরীক্ষায় ছয়টি মানদণ্ডের মধ্যে তিনটিতে ব্যত্যয় পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ সংযোজন দ্রব্য রাসায়নিক কেমিক্যাল অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ এবং সরবরাহ এবং বিক্রয়, মোড়কাবন্ধ খাদ্য লেভেলিং প্রবিধানমালা ২০১৭ এর সুস্পষ্ট পরিপন্থি।
সেভেনআপ ন্যাচারাল লেমন ফ্লেভার এক্সট্রা ফিজের গায়ে লেখা রয়েছে যে, চিনি নেই কিন্তু নন-নিউট্রিটিড সুইটনার আছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর জব্দকৃত ২৫০এমএল সেভেনআপ ন্যাচারাল ফ্লেভার এক্সট্রা ফিজের গায়ে লেখাগুলো খালি চোখে দেখা যায়না এবং সহজে দৃশ্যমান, সহজপাঠ্য নয়। এছাড়া ল্যাব টেস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি লিটারে এসিসালফেম পটাশিয়ামের নির্ধারিত সর্বোচ্চ মাত্রা ৩০০ মিলিগ্রাম হলেও নমুনায় পাওয়া গেছে ৪৫০ মিলিগ্রাম। একইভাবে আসপারটেইমের নির্ধারিত সর্বোচ্চ মাত্রা ৭০০ মিলিগ্রামের বিপরীতে পাওয়া গেছে ১ হাজার মিলিগ্রাম।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ২৫০ মিলিলিটারের বোতলের গায়ে পণ্যের উপাদানসংক্রান্ত তথ্য সহজে দৃশ্যমান ও পাঠযোগ্য ছিল না। এ ধরনের ত্রুটি মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং প্রবিধানমালা, ২০১৭-এর পরিপন্থি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ট্রান্সকম বেভারেজেস লিমিটেড বা অভিযুক্ত সিমিন রহমানের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
এলিস/এসএন
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
ফেব্রুয়ারিতে উদ্বোধন হতে পারে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->আগামী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের উদ্বোধনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে, নাকি নতুন করে চুক্তি নবায়ন করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।
বৈঠকে আগামী ২৫ অক্টোবর পাবনার সুজানগরে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের অংশ হিসেবে কমিটির পরিদর্শন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন
বৈঠকে জামালপুরের ব্রহ্মপুত্র ও জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন প্রতিরোধ এবং যমুনা নদীর বাম তীরসহ বিভিন্ন নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ ছাড়া রাজশাহী ও নাটোরের বারনই নদী পুনর্খনন, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ প্রকল্প, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে নাফ নদীর তীরবর্তী পোল্ডার পুনর্বাসন এবং গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে কমিটির প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী সংশোধনী সাপেক্ষে নিশ্চিত করা হয়।
এ সময় পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কমিটির সদস্য এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এলিস/সালমান/
আরও পড়ুন
জনপ্রশাসনের ধীরগতির প্রকল্প অনুসন্ধানের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে, সেগুলোর কারণ অনুসন্ধানের সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করা, প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কমিটি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিসিএস প্রশাসন একাডেমি, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
আরও পড়ুন
বৈঠকে ‘সবার ওপরে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সরকারি কাজে অসহযোগিতা বা অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সরকারের ৩১ দফা সংস্কার বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার পরামর্শ দেয় কমিটি।
সভাপতি সাঈদ আহমেদ বলেন, ‘কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইনগত, প্রশাসনিক বা বাস্তব প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা কমিটির সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি গোপন না করে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর নন- তারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। নাগরিকের সময়, অর্থ ও শ্রম সাশ্রয়ে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’
এলিস/সালমান/
আরও পড়ুন
পর্যটকদের জন্য সুখবর, এবার কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্তনগর ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে বর্ধিত রুটে ট্রেনটির নিয়মিত চলাচল শুরু হবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দাপ্তরিক আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
এর আগে নরসিংদী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, ফেনী, কিশোরগঞ্জ জেলার যাত্রীদের রেলে কক্সবাজার যেতে হলে ঢাকা বা চট্টগ্রাম যেতে হত। সেখান থেকে ট্রেন পরিবর্তন করে কক্সবাজার যেতে হত। এখন তারা নিজ নিজ জেলার রেল স্টেশন থেকেই মহানগর এক্সপ্রেসের সরাসরি পর্যটননগরী কক্সবাজারে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুন
রেলওয়ের অপারেশন বিভাগের বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত সাড়ে আটটায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হবে। ট্রেনটি রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে এবং সেখান থেকে ছেড়ে সকাল ছয়টায় কক্সবাজারে গিয়ে পৌঁছাবে। অন্যদিকে ফিরতি পথে ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল নয়টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে এবং শেষ পর্যন্ত ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা সাড় ছটায়। সব মিলিয়ে কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত পুরো যাত্রায় সময় লাগবে সাড়ে ৯ ঘণ্টা।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজারমুখী মহানগর এক্সপ্রেসে মোট ১৬টি কোচ থাকবে, আসনসংখ্যা নির্ধারিত করা হয়েছে ৭০০ থেকে ৭৩৬টি। আন্তঃনগর এই ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে রবিবার।
এখন মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসার পর মোট ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে থাকে। তবে রুট সম্প্রসারণের পর নতুন সূচিতে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশনে যাত্রাবিরতিটি বাতিল করা হয়েছে। ফলে ঢাকার বিমানবন্দর স্টেশন, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনে আগের নিয়মেই যাত্রাবিরতি বহাল থাকবে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওপিএস) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান জানান, দোহাজারী–কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধনের পর থেকেই এই রুটে যাত্রীদের বিপুল চাহিদা তৈরি হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে চালু হওয়া চার জোড়া ট্রেনের পর পঞ্চম ট্রেন হিসেবে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন নির্ধারিত স্টেশনে যাত্রাবিরতি বজায় রেখে ট্রেনটি সরাসরি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রী পরিবহন করবে এবং এর চলাচলের জন্য যাবতীয় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতিপূর্বে সম্পন্ন করা হয়েছে।
এখন ঢাকা থেকে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম থেকে দুই জোড়া ট্রেন কক্সবাজার রুটে নিয়মিত চলাচল করে থাকে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম স্টেশন ছাড়া মধ্যবর্তী আর কোনো স্টেশনে থামে না। অন্যদিকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী প্রবাল এক্সপ্রেস ও সৈকত এক্সপ্রেস মধ্যবর্তী ছোট ছোট স্টেশনগুলোতে যাত্রাবিরতি দিয়ে যাত্রী ওঠানামা করায়। মহানগর এক্সপ্রেস চালু হওয়ায় মধ্যবর্তী বড় জেলাগুলোর যাত্রীদের কক্সবাজার ভ্রমণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।
জয়ন্ত সাহা/এসএন
আরও পড়ুন
এমপিদের প্রশিক্ষণ ও ই-পার্লামেন্ট চালুতে সহযোগিতা দেবে ইউএনডিপি
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস। ছবি: সংগৃহীত
-->জাতীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) প্রশিক্ষণ, সংসদীয় কমিটির কার্যক্রম, লিঙ্গসমতা নীতি বাস্তবায়ন ও ই-পার্লামেন্ট চালুর ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। অন্যদিকে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সংস্থাটির সহযোগিতা চেয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস।
বৈঠকগুলোতে সংসদীয় কার্যক্রমের উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক সংস্কার ও রোহিঙ্গাসংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন
বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউএনডিপি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। সংসদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের কারণে দেশের অর্থনীতি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর চাপ বাড়ছে।’ এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে ইউএনডিপির সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
জবাবে স্টিফেন রড্রিকস বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএনডিপির সম্পর্ক আরও বিকশিত হয়েছে। নতুন সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও পরিচিতিমূলক কর্মসূচি আয়োজন, সংসদীয় কমিটিগুলোকে সহায়তা, লিঙ্গসমতা নীতি বাস্তবায়ন এবং ই-পার্লামেন্ট চালুর ক্ষেত্রে সংস্থাটি সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’
অন্যদিকে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহত করতে আমলাতান্ত্রিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে। এ সময় সরকারি নিয়োগে দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধের মূল্যায়ন এবং সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশিক্ষণপদ্ধতি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ দেওয়া হয়।
বৈঠকগুলোতে মানবাধিকার পরিস্থিতি, নারী সংসদ সদস্যদের কার্যক্রম, জ্বালানি ইস্যু এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার নিয়েও আলোচনা হয়।
এলিস/সালমান/
