মশলার দোকানে আবগারি দপ্তরের হানা।
Published on
:
1 min read
মশলার দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল চোলাই মদ তৈরির উপকরণের রমরমা ব্যবসা। গুদামে মজুতও ছিল সেই সব সামগ্রী। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের রাজামেলা গ্রামে গভীর রাতে সেই গুদামে হানা দিয়ে চোলাই মদ তৈরির প্রচুর উপকরণ উদ্ধার করল বাঁকুড়া জেলা আবগারি দপ্তর। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দোকান মালিক গণেশ মাজিকে।
বাঁকুড়া জেলার গঙ্গাজলঘাঁটি ব্লকের রাজামেলা গ্রামে গণেশের হাট মশলার দোকান। অভিযোগ, সেই দোকানের আড়ালেই দীর্ঘদিন ধরেই চোলাই মদের উপকরণের ব্যবসা চলছিল। দোকানের পিছনে রয়েছে বিশাল গুদাম ঘর। সেই গুদাম ঘর থেকেই গোপনে পরিচালনা হতো চোলাইয়ের উপকরণের ব্যবসা। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে ওই গুদামে একযোগে হানা দেয় আবগারি দপ্তরের ছাতনা, মেজিয়া ও বড়জোড়া সার্কলের আধিকারিকেরা।
সূত্রের খবর, গুদাম থেকে উদ্ধার হয়েছে চোলাই তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় ২ হাজার কেজি গুড়, ৫ কেজি বাখর, নিশাদল ২০ কেজি ও ইস্ট ৬ কেজি। এর পরেই গ্রেপ্তার করা হয় গণেশকে। বাঁকুড়ার আবগারি দপ্তরের সুপার শুভঙ্কর মণ্ডল বলেন, ‘আগে তৈরি চোলাই মদ আমরা নষ্ট করতাম। এ বার আমরা চোলাই মদ তৈরিই আটকানোর চেষ্টা করছি। যে পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, তাতে পুজোর সময়ে প্রচুর চোলাই মদ তৈরি করা যেত। সেটা আমরা আটকাতে পেরেছি। একজনকে গ্রেপ্তারও করেছি।’
