Published on
:
1 min read
এ বার এনসিইআরটি-র সিলেবাসেও যুক্ত হতে চলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (AI)। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি, অর্থাৎ মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদের সিলেবাসে এই বিষয়টি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’-এর একেবারে গোড়ার কথা এবং এআই-এর বিভিন্ন টুলের ব্যবহার শেখানো হবে পড়ুয়াদের।
এআই ভালো না খারাপ? এ নিয়ে নানা মুনির নানা মত। তবে সকলেই একবাক্যে স্বীকার করেন, অদূর ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়ি ঘোরাবে। চাকরির ইঁদুরদৌড়ে ছেলেমেয়েরা যাতে পিছিয়ে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে এর আগে তৃতীয় শ্রেণি থেকেই কৃত্রিম মেধাকে পড়াশোনার অঙ্গ হিসেবে জুড়ে দিয়েছে সিবিএসই। এ বার এনসিইআরটি-ও সেই পথেই হাঁটল। তার সঙ্গে পাঠ্যক্রমের অঙ্গ হতে চলেছে ‘কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং’।
সূত্রের খবর, যে সব স্কুলে কম্পিউটার বা ডিজিটাল সরঞ্জামের অভাব রয়েছে, সেখানেও যাতে ছেলেমেয়েরা এআই শিখতে পারে, তা নজরে রেখেই মডিউলটি তৈরি করা হয়েছে। এআই কী ভাবে কাজ করে, দৈনন্দিন জীবনে এর কী প্রভাব, এ সবই থাকবে এই মডিউলে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যেমন অনেক ভালো দিক রয়েছে, তেমনই অনেক খারাপ দিকও রয়েছে। সেই সবও পড়ানো হবে পড়ুয়াদের। শুধু বই পড়ে নয়, পড়ুয়ারা হাতেকলমে কাজ শিখতে পারবে।
অন্য দিকে, কোনও সমস্যাকে চিহ্নিত করে কী ভাবে ধাপে ধাপে তার সমাধান করা যায়, তা-ই শেখানো হবে ‘কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং’-এ। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই এই পাঠ্যসূচি তৈরি করা হয়েছে বলে খবর এনসিইআরটি সূত্রে।
