জয়ের জন্য ৪৭৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ইনিংসে দারুন লড়াই করছে আফগানিস্তান। হাসমতউল্লাহ শহিদিকে আহত হয়ে মাঠ ছেড়ে যেতে হয়। তবে অন্য ব্যাটাররা বেশ ভালোভাবেই মোকাবেলা করছে বাংলাদেশের বোলারদের।
এরই মধ্যে হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ অটল। ১৬৬ বল খেলে হাফ সেঞ্চুরির ঘরে পৌঁছান তিনি। ইকরাম আলিখিলকে নিয়ে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন তিনি। তবে, শেষ পর্যন্ত এই জুটিতে ভাঙন ধরালেন এবাদত হোসেন।
বিজ্ঞাপন
দলীয় ২০২ রানের মাথায় ইকরামকে আউট করেন এবাদত হোসেন। তবে এই উইকেট পড়ার পেছনে বড় কৃতিত্ব লিটন দাসের। আবুধাবি টেস্টে যেন কোনো ভুলই করছেন না তিনি। ইকরামের দুর্দান্ত ক্যাচ ধরলেন।
কোমর বরাবর শর্ট বল করেছিলেন এবাদত। পুল করতে গিয়ে গ্লাভসে লাগিয়ে ফেলেন ইকরাম আলিখিল। বলটি লিটনের ডান দিকে যাচ্ছিল। তবে ডান দিকে শরীর ছুড়ে দিয়ে প্রায় মাটির সমান্তরালে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্তভাবে ক্যাচটি তালুবন্দী করেন তিনি। ৬৯ বল খেলে ৩৩ রান করে ফিরে যান ইকরাম।
বিজ্ঞাপন
এ রিপোর্ট লেখার সময় লাঞ্চ বিরতিতে যায় দুই দল। এ সময় আফগানিস্তানের রান ৭৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৩। ৬৬ রান নিয়ে সেদিকুল্লাহ অটল এবং শূন্য রানে ব্যাট করছেন ইসমত আলম। এখনও আফগানদের প্রয়োজন ২৭৬ রান।
৪৭৯ রানের লক্ষ্যে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করছে আফগানিস্তান। চতুর্থ দিন বিকেলেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান তোলে আফগানিস্তান। সেদিকুল্লাহ অটল ৩৫ রানে এবং হাসমতউল্লাহ শহিদি ব্যাট করছিলেন ১৯ রানে।
আজ পঞ্চম দিন সকালে ব্যাট করতে নেমে দিনের তৃতীয় ওভারেই ইনজুরিতে পড়ে যান আফগান ব্যাটার হাশমতউল্লাহ শহিদি। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ব্যাট করে এক রান নিতে যান সেদিকুল্লাহ অটল। সিলি মিড অনে দৌড়ে এসে একজন ফিল্ডার বল ছুঁড়ে মারেন। যেটা গিয়ে সরাসরি আঘাত করে শহিদির প্যাডে। সঙ্গে সঙ্গেই প্রচণ্ড ব্যাথায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকলো। ডাক্তার-ফিজিও এসে চেষ্টা করলেন তাকে সুস্থ করার; কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্যাড খুলে নিয়ে মাঠের বাইরে চলে যান শহিদি। এ সময় তিনি ব্যাট করছিলেন ২০ রান নিয়ে।
আইএইচএস/
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
