ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে কাজ করা ২০ জনের বেশি বর্তমান ও সাবেক স্থানীয় কর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হুতিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন। তাদের আটকের পাঁচ বছর পূর্তিতে সোমবার এ আহ্বান জানায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, আটক ব্যক্তিরা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা পাঁচ বছর ধরে বিচ্ছিন্নতা, ভয়ভীতি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের একমাত্র ‘অপরাধ’ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইয়েমেনের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে কাজ করা। এর মধ্যে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন সহযোগিতা দেওয়ার কাজও ছিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, আটক সহকর্মীদের কথা যুক্তরাষ্ট্র ভুলে যায়নি। মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের আটক সব কর্মী এবং অন্য যাদের অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে বলে মনে করে ওয়াশিংটন, তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে দেশটি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভিযোগ, ইয়েমেনের নাগরিকদের আটকে রেখে হুতিরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে ভয়ভীতি ও সহিংসতার ওপর নির্ভর করছে।
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। ২০২১ সালের অক্টোবরে হুতি কর্তৃপক্ষ দূতাবাসের হয়ে বিভিন্ন দায়িত্বে কাজ করা কয়েক ডজন ইয়েমেনি নাগরিককে আটক করে। পরে দূতাবাসের প্রাঙ্গণও দখলে নেয় তারা।
হুতিরা জাতিসংঘ, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজের কর্মীদেরও আটক করেছে। আটক ব্যক্তিদের কয়েকজন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করেছেন বলে অভিযোগ করেছে গোষ্ঠীটি। তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দূতাবাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আটক ব্যক্তিদের একজন আবদুলহামিদ আল-আজামি ২০২২ সালের মে মাসে হুতি হেফাজতে মারা যান।
সূত্র: শাফাক নিউজ
