Published on
:
1 min read
বাঙালির দুর্গাপুজোর প্রতি টান বরাবরই বেশি। সে নিজের শহরেই হোক কিংবা সুদূর প্রবাসে। প্রত্যেক বাঙালি পুজোর আনন্দে মেতে ওঠেন নিজের মতো করে। এ বছরও প্রবাসী বাঙালিরা বঙ্গীয় সনাতন সমাজের উদ্যোগে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ইউরোপের বুকে তুলে ধরতে চলেছেন। আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গোৎসবে সকলে সামিল হতে চলছেন। প্রবাসী বাঙালিরা কোনও বাঙালি পার্বণেই ছুটি পান না। বিদেশে সপ্তাহের শেষে থাকে ছুটি। তাই সপ্তাহের শেষের দিকে পুজো করবেন তাঁরা।
বঙ্গীয় সনাতন সমাজ প্রতিবছরের মতো এ বছরও তাঁদের সবচেয়ে বড় ও জাঁকজমকপূর্ণ উৎসব, দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন। প্রবাসে কর্মব্যস্ততা থাকলেও সনাতন ধর্মের এই প্রধান উৎসবকে ঘিরে তাঁদের উৎসাহও কিছু কম নয়। স্পঙ্গা ফোকের্টস হুস (Spånga Folkets Hus) এর হলে তৈরি করা হয়েছে পুজো মণ্ডপ। জোরকদমে সেখানে পুজোর কাজে হাত লাগিয়েছেন স্টকহোমের সমস্ত বাঙালিরা।
প্রবাসী বাঙালিরা এই দু'দিন শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে দেবীর বোধন, অঞ্জলি, আরতি এবং সিঁদুর খেলার মাধ্যমে মায়ের বন্দনা করেন। শুধুমাত্র পুজো নয় এ কদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাও করেন তাঁরা। প্রবাসী বাঙালি ও স্থানীয় শিল্পীদের নাচ, গান, আবৃত্তি এবং নাটকের ব্যবস্থাও থাকবে এ বছর। এছাড়াও পুজোর অন্যতম আকর্ষণে থাকছে খাঁটি বাঙালি স্বাদের প্রসাদ এবং সুস্বাদু খিচুড়ি ভোগ বিতরণ। নতুন পোশাক, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে পুজোর আনন্দে মেতে উঠবেন প্রবাসী বাঙালিরা।
বঙ্গীয় সনাতন সমাজ সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো সুইডেনে ভারতীয় ও বিশেষ করে বাঙালি সনাতন সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসার ঘটানো। এছাড়াও বছর জুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাঙালিদের একত্রিত করা। বিদেশের মূল স্রোতের সাথে বাঙালি ঐতিহ্য, উৎসব ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাঙালি রীতি-নীতিগুলি তাঁরা স্টকহোমেও জীবন্ত করে তুলছেন।
