তারাশঙ্কর চক্রবর্তী Ei Samay
Published on
:
2 min read
মেদিনীপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা ‘বিপ্লবী মেদিনীপুর টাইমস’ পত্রিকার সম্পাদক তারাশঙ্কর চক্রবর্তী প্রয়াত। রবিবার সকালে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। ১৯৮৪ সাল থেকে মেদিনীপুরের মতো মফস্বল শহর থেকে চার দশক ধরে পত্রিকা প্রকাশ করে আসছিলেন তিনি। প্রবীণ সাংবাদিকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া মেদিনীপুরে।
একনজরে
মেদিনীপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা ‘বিপ্লবী মেদিনীপুর টাইমস’ পত্রিকার সম্পাদক তারাশঙ্কর চক্রবর্তী ৭২ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন।
রবিবার সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে শুক্রবার তাঁকে মেদিনীপুরের নার্সিংহোমে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
শনিবার কলকাতায় তাঁর একটি অস্ত্রোপচার হয়েছিল এবং অস্ত্রোপচারের পর তিনি পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন, তবে রবিবার সকালে আচমকা অবস্থার অবনতি ঘটে।
মেদিনীপুরের মতো মফস্বল শহর থেকে ১৯৮৪ সাল থেকে টানা চার দশক ধরে তিনি পত্রিকাটি প্রকাশ করে আসছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে শুক্রবার মেদিনীপুরের একটি নার্সিংহোমে তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। শনিবার সেখানে তাঁর একটি অস্ত্রোপচারও হয়। তারাশঙ্করের দাদা দুর্গাশঙ্কর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পরে তিনি সুস্থই ছিলেন। এমনকী, পরিবারের সকলের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবে কথাও বলেছিলেন। কিন্তু রবিবার সকালে আচমকাই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
তারাশঙ্কর চক্রবর্তীর আদি বাড়ি মেদিনীপুর শহরেই। মেদিনীপুর কলেজিয়েট বয়েজ় স্কুল থেকে পড়াশোনা করেন তিনি। এর পরে মেদিনীপুরের কেডি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তারাশঙ্কর। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ক্রীড়াজগতেও তাঁর বিশেষ পরিচিতি ছিল। স্কুল ও কলেজ জীবনে দক্ষ ফুটবলার হিসেবে যথেষ্ট নামডাক ছিল তাঁর। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন স্ত্রী সোনালী চক্রবর্তী, ছেলে গৌতম চক্রবর্তী, পুত্রবধূ এবং নাতি-নাতনিদের।
সংবাদপত্র প্রকাশের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন তারাশঙ্কর। মেদিনীপুর শহর থেকে প্রতি বছর তিনি একটি মেধা পুরস্কার প্রদান কর্মসূচির আয়োজন করতেন। সেই মঞ্চ থেকে এলাকার দুঃস্থ ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের নিখরচায় বই এবং বিভিন্ন শিক্ষা সামগ্রী দিতেন তিনি।
FAQ
তারাশঙ্কর চক্রবর্তী কে ছিলেন এবং তাঁর বয়স কত হয়েছিল? তারাশঙ্কর চক্রবর্তী ছিলেন মেদিনীপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং ‘বিপ্লবী মেদিনীপুর টাইমস’ পত্রিকার সম্পাদক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
তিনি কোথায় এবং কখন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন? রবিবার সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুর আগে তাঁর চিকিৎসার কী পরিস্থিতি ছিল? অসুস্থতার কারণে শুক্রবার তাঁকে প্রথমে মেদিনীপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয় এবং শনিবার সেখানে অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচারের পর তিনি সুস্থ ছিলেন এবং কথা বলছিলেন, কিন্তু রবিবার সকালে আচমকাই শারীরিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে।
সাংবাদিক হিসেবে তাঁর বিশেষ অবদান কী ছিল? ১৯৮৪ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি মেদিনীপুরের মতো মফস্বল শহর থেকে নিয়মিত ‘বিপ্লবী মেদিনীপুর টাইমস’ পত্রিকা প্রকাশ করে আসছিলেন।