Published on
:
1 min read
এই সময়: দক্ষিণ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের অফিসে বিল বোর্ড খোলার সময়ে হাঙ্গামার ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ তিনি থানায় পৌঁছন।
গত ২৭ অগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেকের দপ্তরের বিল বোর্ড কলকাতা পুরসভার কর্মীরা খুলতে গেলে অভিযান চলাকালীন পুলিশ ও পুরকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধরের অভিযোগ ওঠে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতা–কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। সেই সংক্রান্ত মামলার তদন্তে কিছু দিন আগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এ দিন ফের তদন্তকারী আধিকারিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক। সঙ্গে আইনজীবীকেও নিয়ে গিয়েছিলেন।
জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের অভিষেক বলেন, ‘কলকাতা পুরসভা যদি বিজ্ঞাপন বোর্ডটি সরাতেই চাইত, তা হলে আমাকে নিয়মমাফিক নোটিস দেওয়া হলো না কেন? আমি চাই, মানুষ দেখুক, আসলে কী ঘটেছিল। রাজনৈতিক বক্তব্যের ভিত্তিতে নয়, তথ্যপ্রমাণ এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এগুলোর সত্যতা যাচাই করা উচিত।’
তাঁর সংযোজন, ‘কলকাতা হাইকোর্টে আইনি লড়াই চালিয়ে যাব, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টেও যাব। রাজনৈতিক হুমকি দিয়ে বা বাংলার মানুষকে নিশানা করে আমাদের ভয় দেখানোর কোনও মানে হয় না।
তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘আমরা এই লড়াই রাজনৈতিক ভাবে, গণতান্ত্রিক ভাবে এবং আইনি পথে চালাব। আমার বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত বাংলার মানুষই এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেবে। যারা এখন ক্ষমতায় রয়েছে, তাদের তৈরি থাকতে হবে সেই দিনের জন্য, যে দিন মানুষ তাদের জবাব চাইবে।’ এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টিকে কোনও গুরুত্বই দিতে চাননি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, ‘হাজিরা তো ওঁকে (অভিষেক) দিতেই হবে। ওঁর বিরুদ্ধে এত অভিযোগ। মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, ওঁর আপ্ত সহায়ক বলেছেন ওঁর নির্দেশ সব কিছু হয়েছে। এটা যদি সত্যি হয়, হাজিরা দিতে হবে, হিসেবও দিতে হবে।’