আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া নাম সুভদ্রার প্রথম পুজো। ৯০ বছরের পারিবারিক দুর্গোৎসবে মেতে উঠেছে বিধায়ক সৌমেন কার্ফার পরিবার। বয়স মাত্র তিন মাস। মা-বাবার কোলে চেপেই এ বার প্রথম দুর্গাপুজো দেখছে ছোট্ট সুভদ্রা। রথযাত্রার আগের দিন জন্ম হয়েছিল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নাম রেখেছেন তার। আর সেই সুভদ্রাকে ঘিরেই এ বার পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বেলেণ্ডা গ্রামে বিধায়ক সৌমেন কার্ফার বাড়ির দুর্গাপুজোয় যোগ হয়েছে নতুন আনন্দ।
কার্ফা পরিবারের দুর্গাপুজো ৯০ বছরের পুরনো। পারিবারিক ঐতিহ্য ও রীতি মেনেই প্রতি বছর পুজো হয়ে আসছে। এ বারও তার ব্যতিক্রম নেই। তবে বিধায়ক সৌমেন কার্ফা ও তাঁর স্ত্রী রিম্পার কাছে এ বছরের পুজো বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, পরিবারের ছোট্ট সদস্য সুভদ্রার এটাই প্রথম শারদোৎসব।
সুভদ্রার মা রিম্পা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ে বড় হয়ে উঠুক, এটাই তাঁদের কামনা। তিন মাসের সুভদ্রা এখনও পুজোর আচার বোঝার বয়সে পৌঁছয়নি। মা-বাবার কোলে চেপেই তার পুজো দেখা। তবে পরিবারের কাছে এই প্রথম পুজো স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে জনাদেশ পেয়ে মনস্কামনা পূরণের উদ্দেশ্যে অষ্টমীতে ১০৮টি পদ্ম দিয়ে দেবী দুর্গার পুজো দেবেন বলে জানিয়েছেন বিধায়ক সৌমেন কার্ফা। রাজনৈতিক জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারের ঐতিহ্যবাহী পুজোয় সময় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। বিধায়কের কথায়, জনসংযোগের কাজ চলবে, তবে এ বার সুভদ্রাকে সময় দিতে হবে। পাশাপাশি বাড়ির পুজোয় উপস্থিত থাকাও তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
কথা প্রসঙ্গে উঠে এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর পারিবারিক শিকড়ের প্রসঙ্গও। সৌমেন কার্ফা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে। এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যস্ত কর্মসূচির ফাঁকে যদি মুখ্যমন্ত্রী কখনও পুরনো শিকড়ের সন্ধানে বর্ধমানে আসেন, তা হলে সেটিও একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হবে বলে মনে করেন তিনি।
সব মিলিয়ে বেলেণ্ডা গ্রামে কার্ফা পরিবারের ৯০ বছরের দুর্গোৎসবে এ বার ঐতিহ্যের পাশাপাশি বাড়তি আকর্ষণ ছোট্ট সুভদ্রার প্রথম পুজো। পারিবারিক আচার, মনস্কামনা পূরণের অর্ঘ্য আর নতুন প্রজন্মকে ঘিরে আবেগ এই তিনের মেলবন্ধনেই এ বার শারদোৎসবের আনন্দে মেতেছে বিধায়কের পরিবার।
