পুজো মিটতেই স্কুলস্তরে শিক্ষক নিয়োগে তৎপর রাজ্য সরকার। ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হতে পারে। শুক্রবার এমনই ইঙ্গিত দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রবিরঞ্জন সেন। তিনি বলেন, “নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ইন্টারভিউ শুরু করা হতে পারে। পুরনো ইন্টারভিউয়ের সব কিছু অপরিবর্তিত থাকছে।” ফলে পুজোর ছুটি কাটলেই প্রাথমিক, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ স্তরে নিয়োগের বাকি ইন্টারভিউ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা।
সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ মে’র মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। তাই দ্রুত ইন্টারভিউ শেষ করে নিয়োগের পরবর্তী ধাপে এগোতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। নভেম্বরে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুলগুলিতে শিক্ষকদের শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রে খবর, নভেম্বরের মধ্যেই ইন্টারভিউ পর্ব শেষ করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সবমিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের মধ্যে ১৩,৪২১ জনকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ গত বছর, ২০২৫ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ৩১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় জেলাভিত্তিক ইন্টারভিউ। প্রথম চারটি পর্যায়ের পর পঞ্চম থেকে দশম পর্যায়ের ইন্টারভিউয়ের সূচি প্রকাশিত হয়। নদিয়া জেলায় পঞ্চম পর্যায়ের ইন্টারভিউ শেষ হলেও নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর পুরুলিয়ার ইন্টারভিউ স্থগিত হয়ে যায়। নতুন সংরক্ষণ আইন মেনে প্রার্থীদের জাতিগত তথ্য সংশোধনের সুযোগও দেওয়া হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
অন্যদিকে, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ স্তরেও সংরক্ষণ বিধি মেনে সংশোধিত তালিকা প্রকাশের পর স্থগিত থাকা ইন্টারভিউ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বোর্ডের তরফে। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ মে’র মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। তাই দ্রুত ইন্টারভিউ শেষ করে নিয়োগের পরবর্তী ধাপে এগোতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। নভেম্বরে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুলগুলিতে শিক্ষকদের শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
