২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নবীন, জামায়াত শিবির ও আওয়ামী সংশ্লিষ্টদের নিয়ে করা মালয়েশিয়া যুবদলের নতুন কমিটি করার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) এর প্রতিবাদ জানিয়ে কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করেছে যুবদল মালয়েশিয়া শাখার শতাধিক নেতাকর্মী।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভুত্থানের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত হয়েছে। এই দীর্ঘ সংগ্রামে মালয়েশিয়া প্রবাসী নেতাকর্মীরা অদম্য সাহস নিয়ে রাজপথে লড়াই করেছেন, পুলিশি হয়রানি ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে ১০১ সদস্যের কমিটিতে ৯৭ জন নেতা ও ৪ জন সদস্য থাকলেও ওই কমিটিতে জায়গা হয়নি দুই শতাধিক নেতাকর্মীর।
ঘোষিত কমিটিকে সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিক, পক্ষপাতদুষ্ট এবং বিতর্কিত পকেট কমিটি বলছেন পদবঞ্চিত নেতারা। কমিটি থেকে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়নের অভিযোগ করেছেন তারা।
দ্রুত এ কমিটি বাতিল করে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকা পরীক্ষিত, ত্যাগী ও প্রকৃত নেতাকর্মীদের নিয়ে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠন করার আহ্বান জানান তারা। অন্যথায় এ কমিটি মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নিজ অনুগতদের জায়গা দেওয়ায় সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক রমজান আলীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি নূর সিদ্দিকী সুমন, সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ সেলিম, নাজমুল হাসান, খালিদ হাসান রিপনসহ বেশ কয়েকজন নেতা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মালয়েশিয়ার তামিলজায়া বিএনপির উপদেষ্টা মোহাম্মদ নয়ন, মালয়েশিয়া শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজু ইমান আলী হানিফ, যুবনেতা মেহেদী হাসান, জহিরুল ইসলাম জনি, শামীম উল্লাহ, তনু সরদার, খোকন মিয়া, মো. রুবেল, মোহাম্মদ রফিক, মো. শাজাহান, মো. রানা, মো. আল আমিন, আবুল হোসেন, মো. ইলিয়াস, মো. রমজান আলী, সুমন মুন্সি, মো. মির হোসেন, মো. ইমরান, মো. এনামুল হক সবুজ, মো. রফিকুল, মো. বাবুল, মো. আব্দুল জলিল, মো. সোহেল রানা, মো. আব্দুল মান্নান, মো. এরশাদ, মো. জাকির, মো. আব্দুল মজিদ, মো. মিল্টন, মো. রতন, মো. মিরাজুলসহ অনেকে।
এস এ সৌরভ/আইজে
