মাখোমাখো প্রেমের সম্পর্কেও দুটো মানুষের পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ কখনই সমান হয় না। এদিকে সম্পর্কের সমীকরণ কখন বদলে যায়, কে বলতে পারে! একদিন হয়তো সে আপনার সঙ্গে কথা বলার জন্য দারুণ উৎসাহী। পরদিন হয়তো তাঁর পাত্তাই নেই। এদিকে তিনি কিন্তু আপনাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যানও করেননি। ফলে উলটোদিকের মানুষটার মনে এক অদ্ভুত দোলাচল তৈরি হয়। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সঙ্গীর কোন আচরণে বুঝতে পারবেন, তিনি আর আপনার সঙ্গে নেই।
১. একটা সময়ে মেসেজ বা ফোনে জুড়ে থাকতেন প্রায় গোটা দিন। যদি দেখেন কথোপকথনগুলো কেবল এক শব্দের উত্তরে পরিণত হয়েছে, বা মেসেজ করলে দীর্ঘক্ষণ পর উত্তর আসছে, তাহলে বুঝে নিন সম্পর্কের মেয়াদ শেষের পথে। কারণ আগ্রহ কমে যাওয়াই সম্পর্ক শেষে ইঙ্গিত। যা না বুঝে অনেকেই বারবার কথা বলার চেষ্টা করেন, কিন্তু এভাবে সম্পর্ক কিন্তু টেনে নিয়ে যাওয়া যায় না সারাজীবন। আজ হোক বা কাল, বিচ্ছেদ হবেই।
২. আপনি বারবার দেখা করার কথা বলেন, সঙ্গীর কাছে একটি না একটি অজুহাত সবসময় তৈরি থাকে। হ্যাঁ, ব্যস্ততা থাকতেই পারে কিন্তু তা সবসময় হতে পারে না। বারবার এড়িয়ে যাওয়া এর অর্থ হতে পারে যে তিনি আর আপনার পরিকল্পনায় শামিল হতে আগ্রহী নন। যা সম্পর্ক শেষের পূর্বাভাস।
৩. ঠিক যখন আপনি আর মেসেজ না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন, তখনই তারা হঠাৎ আপনাকে মেসেজ দেয় অথবা আবারও মিষ্টি আচরণ করতে শুরু করে। আপনি আশান্বিত হয়ে ওঠেন, কিন্তু পরক্ষণেই তারা আবার দূরত্ব তৈরি করে ফেলে। এই ধরনের অস্পষ্ট আচরণ কাউকে ভুলে যাওয়া বা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা আরও কঠিন করে তোলে। শেষ পর্যন্ত আপনি সেই মানুষটির ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকেন, যাকে আপনি সম্পর্কের শুরুতে দেখেছিলেন। কিন্তু এর আদতে কোনও ভবিষ্যৎ নেই।
৪. আপনি কথোপকথন শুরু করেন, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন কী ভুল হয়েছে। অথচ, তারা খুব কমই আপনার খোঁজ নেয় বা আপনার জীবন সম্পর্কে কোনও কৌতূহল দেখায়। যখন কেবল একজন ব্যক্তি কোনও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন, তখন তা অত্যন্ত ক্লান্তিকর হয়ে ওঠে।
৫. আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না, কিন্তু তারা কখনোই তা সরাসরি বলে না। আপনি দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন, অপেক্ষা করেন, কিন্তু তারা কিছুই বলে না। আর তাদের নীরবতাই আপনাকে এগোতে দেয় না। কিন্তু এই ধরণের পরিস্থিতিতে নিজেকে থামিয়ে না রেখে, এগিয়ে যান।
